৪/২০. অধ্যায়ঃ
তাকবীর ও অন্যান্য বিষয়ে ইমামের আগে যে কোন কাজ করা নিষেধ
ইমামের আগে হাত না তোলার হাদিস
সহীহ মুসলিম : ৮১৯
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৮১৯
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي الدَّرَاوَرْدِيَّ - عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِنَحْوِهِ إِلاَّ قَوْلَهُ " وَلاَ الضَّالِّينَ . فَقُولُوا آمِينَ " . وَزَادَ " وَلاَ تَرْفَعُوا قَبْلَهُ " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি নবি (ﷺ) –এর কাছ থেকে (উপরের হাদিসের) অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এ বর্ণনায় ইমামের ‘ওয়ালাদ্দাল্লীন’ বলার পর ‘আমীন’ বলার কথা উল্লেখ নেই। তবে এতে আরো আছে, তোমরা ইমামের আগে হাত উঠাবে না।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৮১৬, ইসলামীক সেন্টারঃ ৮২৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ৮১৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আগের হাদিসের অনুরূপ শিক্ষা এসেছে, তবে এখানে ‘ওয়ালাদ্দাল্লীন’ বলার পর ‘আমীন’ বলার কথা নেই। এর বদলে একটি অতিরিক্ত নির্দেশ এসেছে—তোমরা ইমামের আগে হাত উঠাবে না। তাই এই হাদিস মুকতাদির আচরণের একটি সূক্ষ্ম দিক সামনে আনে। জামাতে সালাতে ইমামের আগে কাজ করা নিষেধ; শুধু রুকু বা সিজদা নয়, হাত তোলার ক্ষেত্রেও একই শৃঙ্খলা দরকার। ইমাম তাকবীর বললে তাকবীর, রুকু করলে রুকু, ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বললে ‘আল্লাহুম্মা রব্বানা লাকাল হামদ’—এসব আগের শিক্ষার মতোই থাকে। এই হাদিস ইমামের আগে কাজ না করা এবং সালাতে মুকতাদির ধৈর্য রক্ষার শিক্ষা দেয়। তাই সালাতে হাত তোলার মতো ছোট কাজেও ইমামের আগে না যাওয়ার শিক্ষা এই বর্ণনায় স্পষ্ট।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইমামের আগে হাত উঠাতে নিষেধ করা হয়েছে।
- এই বর্ণনায় আমীন বলার অংশ নেই, কিন্তু অন্য নির্দেশ আছে।
- মুকতাদি সালাতে ইমামের পরে কাজ করবে।
- তাকবীর ও রুকুতেও ইমামের অনুসরণ জরুরি।
