৪/১৮. অধ্যায়ঃ
তাসমী’ , তাহমীদ ও আমীন সর্ম্পকে
আমীন বলার ফজিলত: অনুরূপ বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ৮০৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৮০৫
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ)-এর কাছ থেকে (উপরের হাদীসের) অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৮০২, ইসলামীক সেন্টারঃ ৮১৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ৮০৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, নবী صلى الله عليه وسلم থেকে আগের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা এসেছে। আগের বর্ণনায় সালাতে আমীন বলা এবং ফেরেশতাদের আমীনের সাথে মিল হলে আগের গুনাহ মাফের কথা উল্লেখ ছিল। তাই এই হাদিস একই শিক্ষাকে আরও সমর্থন করে। এটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা হলেও সালাতে আমীন বলার গুরুত্ব বোঝাতে যথেষ্ট। হাদিসের ভাষা আমাদের শেখায়, আমীন বলা শুধু অভ্যাস নয়; এটি দোয়ার জবাব এবং সালাতের একটি ফজিলতপূর্ণ অংশ। জামাতে বা সালাতে আমীন বলার সময় মনোযোগ রাখা উচিত, যেন আমরা নবী صلى الله عليه وسلم-এর শেখানো পদ্ধতির কাছাকাছি থাকতে পারি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনা আমীন বলার ফজিলতকে সমর্থন করে।
- সালাতে আমীন বলা নবী صلى الله عليه وسلم থেকে প্রমাণিত শিক্ষা।
- ফেরেশতাদের আমীনের সাথে মিলের ফজিলত আগের বর্ণনায় এসেছে।
- সংক্ষিপ্ত হাদিসও একই বিষয়ের গুরুত্ব বাড়িয়ে দেয়।
