১/১৯. অধ্যায়ঃ
প্রতিবেশী ও মেহমানকে সম্মান প্রদর্শন করতে উৎসাহিত করা, কল্যাণ সাধন ব্যতীত নিরবতা অবলম্বন করা এবং এগুলো ঈমানের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বর্ণনা
প্রতিবেশীর প্রতি ভালো ব্যবহার ঈমানের দাবি
সহীহ মুসলিম : ৭৯
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৭৯
وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ حَدِيثِ أَبِي حَصِينٍ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ " فَلْيُحْسِنْ إِلَى جَارِهِ " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ পূর্ববর্তী অংশ রাবী আবূ হুসাইনের অনুরূপ। তবে এতে রয়েছে “তার প্রতিবেশীর প্রতি যেন ভালো ব্যবহার করে।”
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৮১, ইসলামীক সেন্টারঃ ৮৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ৭৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আগের হাদিসের একই শিক্ষা এসেছে, তবে এখানে বিশেষভাবে বলা হয়েছে—প্রতিবেশীর প্রতি ভালো ব্যবহার করবে। এতে প্রতিবেশীর হক আরও স্পষ্ট হয়। শুধু কষ্ট না দেওয়া নয়, ভালো ব্যবহার করাও একটি ইতিবাচক দায়িত্ব। ভালো ব্যবহার হতে পারে নরম কথা, সম্মান, অযথা বিরক্ত না করা, প্রয়োজন হলে সহানুভূতি দেখানো এবং সম্পর্ককে শান্ত রাখা। হাদিসটি আল্লাহ ও আখিরাতে ঈমানের সাথে প্রতিবেশীর আচরণকে যুক্ত করে। অর্থাৎ ঈমান শুধু ব্যক্তিগত বিশ্বাসে সীমাবদ্ধ থাকে না; তা পাশের মানুষের সঙ্গে আচরণেও দেখা যায়। তাই প্রতিবেশীর প্রতি ভালো ব্যবহার মুসলিম চরিত্রের সহজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ দিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রতিবেশীকে শুধু কষ্ট না দিলেই শেষ নয়; ভালো ব্যবহারও দরকার।
- ঈমানের প্রভাব পাশের মানুষের সঙ্গে আচরণে দেখা যায়।
- ভালো কথা ও সম্মান প্রতিবেশীর হকের অংশ।
- শান্ত সম্পর্ক রাখা সুন্দর মুসলিম চরিত্রের লক্ষণ।
