৪/৮. অধ্যায়ঃ
আযানের ফাযীলাত এবং আযান শুনে শাইতানের পলায়ন
মুয়াজ্জিন আযান দিলে শয়তানের পলায়ন
সহিহ মুসলিম : ৭৪৩
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৭৪৩
حَدَّثَنِي عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ بَيَانٍ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، - يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ اللَّهِ - عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا أَذَّنَ الْمُؤَذِّنُ أَدْبَرَ الشَّيْطَانُ وَلَهُ حُصَاصٌ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মুয়াজ্জিন যখন আজান দেয় তখন শয়তান পেছন ঘুরে বায়ু ছাড়তে ছাড়তে তাড়াতাড়ি পালিয়ে যায়।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৭৪১, ইসলামীক সেন্টারঃ ৭৫৪
সহিহ মুসলিম হাদিস ৭৪৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেন, মুয়াজ্জিন যখন আযান দেয়, শয়তান পেছন ঘুরে দ্রুত পালিয়ে যায়। বর্ণনায় তার পালানোর অবস্থাও উল্লেখ হয়েছে। এই সংক্ষিপ্ত হাদিস আযানের প্রভাবকে খুব সরাসরি তুলে ধরে। আযান আল্লাহর বড়ত্বের ঘোষণা, তাওহীদের সাক্ষ্য এবং সালাতের আহ্বান। শয়তান এই ডাক শুনে সরে যায়—এটাই হাদিসের মূল কথা। তাই আযান দেওয়া এবং আযান শোনা মুসলিম জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে যখন সালাতের ডাক ওঠে, তখন তা শুধু মানুষের কানেই পৌঁছে না; হাদিস অনুযায়ী শয়তানের উপরও এর প্রভাব পড়ে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুয়াজ্জিন আযান দিলে শয়তান পেছন ঘুরে পালিয়ে যায়।
- আযান আল্লাহর বড়ত্ব ও তাওহীদের ঘোষণা।
- আযানের শব্দের বিশেষ প্রভাব হাদিসে এসেছে।
- মুয়াজ্জিনের কাজ মুসলিম সমাজে গুরুত্বপূর্ণ।
