৫৫/৯. অধ্যায়ঃ
হাঁচির উত্তর দেয়া ও হাই তোলা মাকরূহ হওয়ার বর্ণনা
হাই তোলা শয়তানের পক্ষ থেকে: হাইয়ের আদব
সহিহ মুসলিম : ৭৩৮০
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৭৩৮০
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَعَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، قَالُوا حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنُونَ ابْنَ جَعْفَرٍ - عَنِ الْعَلاَءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " التَّثَاؤُبُ مِنَ الشَّيْطَانِ فَإِذَا تَثَاءَبَ أَحَدُكُمْ فَلْيَكْظِمْ مَا اسْتَطَاعَ " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, হাই তোলা শয়তানের পক্ষ হতে আসে। তোমাদের কেউ যদি হাই তোলে তবে যথাসাধ্য সে যেন তা ব্যাহত করার চেষ্টা করে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৭২২০, ইসলামীক সেন্টারঃ ৭২৭২
সহিহ মুসলিম হাদিস ৭৩৮০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে হাই তোলার আদব শেখানো হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, হাই তোলা শয়তানের পক্ষ হতে আসে। তাই কারও হাই উঠলে সে যেন যথাসাধ্য তা আটকানোর চেষ্টা করে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, শরীরের স্বাভাবিক অবস্থার মধ্যেও শালীনতা রাখা। হাই তোলা অনেক সময় অলসতা, অসতর্কতা বা মনোযোগ কমে যাওয়ার সঙ্গে জড়িয়ে যায়। হাদিসে বলা হয়েছে, একে যতটা সম্ভব থামানোর চেষ্টা করতে। এটি বিশেষভাবে আদবের শিক্ষা—মানুষের সামনে মুখ বড় করে হাই তোলা, শব্দ করা বা অবহেলার ভঙ্গি দেখানো ভালো নয়। মুমিনের আচরণে পরিচ্ছন্নতা, নিয়ন্ত্রণ ও লজ্জাশীলতা থাকা উচিত। তাই হাই এলে নিজের মুখ, শরীর ও আচরণ সামলে নেওয়া এই হাদিসের সরল শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাই উঠলে যথাসাধ্য তা আটকে রাখার চেষ্টা করতে বলা হয়েছে।
- হাই তোলার সময় শালীনতা ও নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।
- দৈনন্দিন আচরণেও ইসলামী আদব মানা গুরুত্বপূর্ণ।
- অবহেলা বা শব্দ করে হাই তোলা থেকে বিরত থাকা ভালো।
