৫৫/১. অধ্যায়ঃ
যারা নিজেদের উপর অত্যাচার করেছে (সামূদ গোত্রের) তাদের আবাসস্থলে তোমরা যাবে না; তবে কান্নাজড়িত অবস্থায় যেতে পার
দুনিয়া কত নগণ্য: একই শিক্ষার আরেক বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ৭৩০৯
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৭৩০৯
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى الْعَنَزِيُّ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَرْعَرَةَ السَّامِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، - يَعْنِيَانِ الثَّقَفِيَّ - عَنْ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . بِمِثْلِهِ غَيْرَ أَنَّ فِي حَدِيثِ الثَّقَفِيِّ فَلَوْ كَانَ حَيًّا كَانَ هَذَا السَّكَكُ بِهِ عَيْبًا .
জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি নবী (ﷺ) হতে অবিকল বর্ণনা করেছেন, তবে আস-সাকাফীর হাদীসের মধ্যে এ কথা বর্ধিত বর্ণিত রয়েছে যে, এটি যদি জীবিতও হত, তবুও ক্ষুদ্র কানবিশিষ্ট হওয়ায় এটি একটি দোষণীয় ব্যাপার ছিল।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৭১৫১, ইসলামীক সেন্টারঃ ৭২০৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ৭৩০৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি আগের ঘটনারই অনুরূপ। এখানে বিশেষভাবে বলা হয়েছে, বকরির বাচ্চাটি যদি জীবিতও থাকত, তার ক্ষুদ্র কান একটি দোষ বলে গণ্য হতো। আর যখন সেটি মৃত, তখন মানুষের কাছে তার মূল্য আরও কম। এই ছোট বাড়তি অংশ হাদিসের মূল শিক্ষাকে আরও পরিষ্কার করে। মানুষ এমন জিনিস নিতে চায় না, যাতে দোষ আছে এবং যা কাজে আসে না। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সেই দৃশ্য ব্যবহার করে দুনিয়ার আসল দাম বোঝালেন। দুনিয়া মানুষের চোখে বড় মনে হতে পারে, কিন্তু আল্লাহর কাছে তা অতি নগণ্য। তাই দুনিয়া নিয়ে অতিরিক্ত গর্ব, লোভ বা প্রতিযোগিতা—এসব থেকে মনকে সামলানো দরকার। হাদিসটি দুনিয়ার প্রতি আকর্ষণ কমিয়ে আখিরাতের প্রস্তুতির দিকে ফিরিয়ে দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দুনিয়ার মূল্য বুঝতে নবীজি সহজ বাস্তব উদাহরণ দিয়েছেন।
- যে জিনিস মানুষ নিজেরাও নিতে চায় না, তা দিয়ে দুনিয়ার কম দাম বোঝানো হয়েছে।
- দুনিয়ার দোষ ও ক্ষণস্থায়ী রূপ মনে রাখা দরকার।
- দুনিয়ার মোহ কমলে আখিরাতের প্রস্তুতি সহজ হয়।
