৫৪/১০. অধ্যায়ঃ

রোমীয়রা সংখ্যাধিক্য হলে কিয়ামত সংঘটিত হবে

রোমীয়দের সংখ্যা ও ফিতনার সময় ধৈর্য

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৭১৭২

حَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى التُّجِيبِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي أَبُو شُرَيْحٍ، أَنَّ عَبْدَ الْكَرِيمِ بْنَ الْحَارِثِ، حَدَّثَهُ أَنَّ الْمُسْتَوْرِدَ الْقُرَشِيَّ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ تَقُومُ السَّاعَةُ وَالرُّومُ أَكْثَرُ النَّاسِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَبَلَغَ ذَلِكَ عَمْرَو بْنَ الْعَاصِ فَقَالَ مَا هَذِهِ الأَحَادِيثُ الَّتِي تُذْكَرُ عَنْكَ أَنَّكَ تَقُولُهَا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لَهُ الْمُسْتَوْرِدُ قُلْتُ الَّذِي سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ فَقَالَ عَمْرٌو لَئِنْ قُلْتَ ذَلِكَ إِنَّهُمْ لأَحْلَمُ النَّاسِ عِنْدَ فِتْنَةٍ وَأَجْبَرُ النَّاسِ عِنْدَ مُصِيبَةٍ وَخَيْرُ النَّاسِ لِمَسَاكِينِهِمْ وَضُعَفَائِهِمْ ‏.‏

মুসতাওরিদ আল কুরাশী (রাযিঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, যখন রোমীয়দের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হবে তখন কেয়ামত সংঘটিত হবে। এ খবর আমর ইবনুল আস (রাঃ)-এর কাছে পৌঁছার পর তিনি বললেন, এ কোন ধরনের হাদীস, যে সম্পর্কে লোকেরা বলছে যে, এ নাকি তুমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে বর্ণনা করছ? উত্তরে মুস্তাওরিদ (রাঃ) তাকে বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে যা শুনেছি আমি তাই বলছি। একথা শুনে আমর (রাঃ) বললেন, তুমি যদি বলে থাকো তা ঠিকই আছে। কেননা তারা ফিতনার সময় সবচেয়ে বেশি ধৈর্য ধারণ করে এবং মুসীবতের পর আবার দ্রুত তাদের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। তারা সর্বদা মিসকিন এবং অক্ষম মানুষের জন্য অধিক শুভাকাঙ্ক্ষী।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৭০১৬, ইসলামীক সেন্টারঃ ৭০৭৩

সহীহ মুসলিম হাদিস ৭১৭২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আগের বর্ণনার কাছাকাছি একটি ঘটনা এসেছে। মুস্তাওরিদ (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে বলতে শুনেছেন—রোমীয়দের সংখ্যা যখন বেশি হবে তখন কেয়ামত সংঘটিত হবে। এই খবর আমর ইবনুল আস (রাঃ)-এর কাছে পৌঁছালে তিনি জিজ্ঞেস করেন, এ কেমন হাদিস যা তোমার নামে বলা হচ্ছে? মুস্তাওরিদ (রাঃ) পরিষ্কারভাবে বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم থেকে যা শুনেছেন তাই বলেছেন। এরপর আমর (রাঃ) বলেন, যদি তুমি এ কথা বলে থাকো, তবে ঠিক। কারণ তাদের মধ্যে ফিতনার সময় ধৈর্য, মুসিবতের পর দ্রুত স্বাভাবিক হওয়া এবং মিসকিন ও দুর্বলদের জন্য শুভাকাঙ্ক্ষার গুণ আছে। এই হাদিসে কেয়ামতের আলামত, সত্য বর্ণনার আমানত এবং মানবিক গুণের শিক্ষা একসঙ্গে এসেছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে শোনা কথাই বলা উচিত, বাড়তি কথা নয়।
  • ফিতনার সময় ধৈর্যকে গুরুত্বপূর্ণ গুণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
  • মুসিবতের পর নিজেকে সামলে নেওয়া ভালো গুণ।
  • মিসকিন ও দুর্বলদের প্রতি শুভাকাঙ্ক্ষা প্রশংসনীয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন