৫৩/১৭. অধ্যায়ঃ

মৃত ব্যক্তির কাছে জান্নাত কিংবা জাহান্নামের ঠিকানা উপস্থিত করা হয়, আর কবরের শাস্তি প্রমাণ করা এবং তাত্থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করা

কবরের আজাব: দাফন বন্ধের আশঙ্কা ও নবীজির সতর্কতা

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৭১০৬

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لَوْلاَ أَنْ لاَ تَدَافَنُوا لَدَعَوْتُ اللَّهَ أَنْ يُسْمِعَكُمْ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ ‏"‏ ‏.‏>

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বললেন: তোমরা মৃতদেরকে দাফন করা বর্জন করবে এ ভয় না থাকলে আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করতাম যেন তিনি তোমাদেরকে কবরের কিছু আজাব শুনিয়ে দেন।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৯৫০, ইসলামীক সেন্টারঃ ৭০০৮

সহীহ মুসলিম হাদিস ৭১০৬-এর সারসংক্ষেপ

এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, মানুষ মৃতদের দাফন করা বন্ধ করে দেবে—এই ভয় না থাকলে তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন, যেন মানুষকে কবরের কিছু আজাব শুনিয়ে দেওয়া হয়। হাদিসের ভাষা খুব গভীর। কবরের আজাব এমন বিষয়, যা শুনলে মানুষের মনে ভয় তৈরি হতে পারে এবং দাফনের মতো জরুরি কাজেও প্রভাব পড়তে পারে। তাই নবীজি মানুষের সামর্থ্য ও অবস্থাও বিবেচনা করেছেন। এখানে কবরের আজাবের বাস্তবতা, আখিরাতের ভয় এবং আল্লাহর কাছে আশ্রয় নেওয়ার প্রয়োজন বোঝা যায়। মুমিনের উচিত কবরের জীবনকে স্মরণ রাখা, গুনাহ থেকে তাওবা করা এবং আল্লাহর রহমত ও নিরাপত্তা চাওয়া।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কবরের আজাব গুরুতর সতর্কতার বিষয়।
  • নবীজি মানুষের দুর্বলতা ও ভয়ের দিক বিবেচনা করেছেন।
  • কবরের স্মরণ মানুষকে তাওবা ও সৎ আমলের দিকে ডাকে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন