৩/২৮. অধ্যায়ঃ
তায়াম্মুম-এর বিবরণ [১০০]
প্রস্রাব অবস্থায় সালামের জবাব না দেওয়া
সহিহ মুসলিম : ৭০৯
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৭০৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَجُلاً، مَرَّ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَبُولُ فَسَلَّمَ فَلَمْ يَرُدَّ عَلَيْهِ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি পথ দিয়ে যাচ্ছিল। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তখন প্রস্রাব করছিলেন। সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে সালাম করল, কিন্তু তিনি তার জবাব দিলেন না।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৭০৭, ইসলামীক সেন্টারঃ ৭২২
সহিহ মুসলিম হাদিস ৭০৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু উমর (রাঃ) বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। তখন রাসূল (صلى الله عليه وسلم) প্রস্রাব করছিলেন। লোকটি তাঁকে সালাম দিল, কিন্তু তিনি সালামের জবাব দিলেন না। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এতে পবিত্রতার আদব স্পষ্ট। সালাম ইসলামের সুন্দর অভিবাদন, তবে সব অবস্থায় মুখে উত্তর দেওয়া উপযুক্ত নাও হতে পারে। এখানে রাসূল (صلى الله عليه وسلم)-এর কাজ থেকে বোঝা যায়, প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণের সময় কথা বলা বা সালামের জবাব দেওয়ার বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা আছে। ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত কোনো দাবি না করে বলা যায়, এই বর্ণনা টয়লেট আদব, পবিত্রতা এবং সালামের শালীন ব্যবহার শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণের সময় কথা বলা থেকে বিরত থাকা আদবের অংশ।
- সালাম গুরুত্বপূর্ণ হলেও অবস্থার উপযোগিতা বিবেচনা করা হয়।
- পবিত্রতা শুধু শরীরের নয়, আচরণের সঙ্গেও জড়িত।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকেও দৈনন্দিন জীবনের আদব শেখা যায়।
