৫২/৪. অধ্যায়ঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ইয়াহূদীদের রূহ্ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসাবাদ ও আল্লাহর বাণীঃ “ওরা আপনাকে রূহ্ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছে”
খাব্বাব রা.-এর পাওনা ও ঈমানের দৃঢ়তা
সহীহ মুসলিম : ৬৯৫৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬৯৫৬
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، كُلُّهُمْ عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . نَحْوَ حَدِيثِ وَكِيعٍ وَفِي حَدِيثِ جَرِيرٍ قَالَ كُنْتُ قَيْنًا فِي الْجَاهِلِيَّةِ فَعَمِلْتُ لِلْعَاصِ بْنِ وَائِلٍ عَمَلاً فَأَتَيْتُهُ أَتَقَاضَاهُ .>
আ‘মাশ (রহঃ)-এর সানাদে এ সূ্ত্র হতে বর্ণিতঃ
ওয়াকী-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে জারীর-এর হাদীসের মধ্যে অতিরিক্ত আছে যে, খাব্বাব (রাঃ) বলেন, জাহিলী যুগে আমি কর্মকার ছিলাম। তখন আস ইবন ওয়ায়েলকে আমি একটি কাজ করে দিয়েছিলাম। এরপর আমি তা আদায় করার জন্য তার কাছে গেলাম।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৮০৬, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৮৬০
সহীহ মুসলিম হাদিস ৬৯৫৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি আগের ঘটনার আরেকটি বর্ণনা। এখানে অতিরিক্তভাবে এসেছে, খাব্বাব রা. জাহিলী যুগে কর্মকার ছিলেন। তিনি আস ইবন ওয়াইলের জন্য একটি কাজ করেছিলেন। কাজের পাওনা আদায় করতে গেলে সেই ব্যক্তি অন্যায় শর্ত দেয়—মুহাম্মাদ صلى الله عليه وسلم-কে অস্বীকার না করলে পাওনা দেবে না। এই ঘটনা দেখায়, কখনো কখনো মানুষের অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রেও ঈমানের পরীক্ষা আসে। খাব্বাব রা. নিজের পাওনার জন্য সত্য ত্যাগ করেননি। হাদিসটি পাওনা, ন্যায়, ঈমানের দৃঢ়তা এবং পুনরুত্থান অস্বীকারকারীর মনোভাব সম্পর্কে শিক্ষা দেয়। মূল কথা—দুনিয়ার ক্ষতি হলেও ঈমানের অবস্থান নষ্ট করা যায় না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কাজের পাওনা আদায় করা মানুষের ন্যায্য অধিকার।
- পাওনা আটকে রেখে ঈমানের বিরুদ্ধে শর্ত দেওয়া অন্যায়।
- খাব্বাব রা. দুনিয়ার পাওনার চেয়ে ঈমানকে বড় করেছেন।
- অন্যায় চাপের মুখেও সত্যে অটল থাকা মুমিনের গুণ।
