৫২/২. অধ্যায়ঃ
পুনরুত্থান, হাশ্র-নাশর ও কিয়ামাত দিবসে পৃথিবীর অবস্থা
কেয়ামতের ময়দান কেমন হবে
সহিহ মুসলিম : ৬৯৪৮
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬৯৪৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي، كَثِيرٍ حَدَّثَنِي أَبُو حَازِمِ بْنُ دِينَارٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يُحْشَرُ النَّاسُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى أَرْضٍ بَيْضَاءَ عَفْرَاءَ كَقُرْصَةِ النَّقِيِّ لَيْسَ فِيهَا عَلَمٌ لأَحَدٍ " .>
সাহ্ল ইবনু সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কেয়ামতের দিন লোকেদেরকে ময়দার রুটির ন্যায় (গোল) লালচে সাদা জমিনের উপরে জমায়েত করা হবে। সেখানে কারো কোন বিশেষ নিদর্শন মওজুদ থাকবে না।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৭৯৮, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৮৫২
সহিহ মুসলিম হাদিস ৬৯৪৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কেয়ামতের দিন মানুষের জমায়েতের একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর ছবি এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, মানুষকে কেয়ামতের দিন এমন এক জমিনে একত্র করা হবে, যা ময়দার রুটির মতো সাদা-লালচে হবে। সেখানে কারো কোনো বিশেষ নিদর্শন বা চিহ্ন থাকবে না। অর্থাৎ দুনিয়ার পরিচিত মালিকানা, সীমা, স্থাপনা বা ব্যক্তিগত চিহ্নের কিছুই থাকবে না। হাশরের ময়দান হবে এমন এক বাস্তবতা, যেখানে সবাই আল্লাহর সামনে সমানভাবে দাঁড়াবে। এই হাদিস মানুষকে কেয়ামতের প্রস্তুতি, দায়িত্ববোধ এবং দুনিয়ার অহংকার থেকে দূরে থাকার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কেয়ামতের দিন সব মানুষ এক ময়দানে জমায়েত হবে।
- দুনিয়ার পরিচিত চিহ্ন ও মালিকানার গুরুত্ব সেদিন থাকবে না।
- হাশরের কথা মনে করলে আমল ও জবাবদিহির অনুভূতি বাড়ে।
- মানুষকে দুনিয়ার অহংকার ছেড়ে আখিরাতের প্রস্তুতি নিতে হবে।
