৫০/৪. অধ্যায়ঃ
আল্লাহ তা‘আলার রহ্মাতের ব্যাপকতা যা তার গোস্বাকে অতিক্রম করেছে
আল্লাহর নিরানব্বই রহমত কেয়ামতের জন্য
সহীহ মুসলিম : ৬৮৬৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬৮৬৮
حَدَّثَنِي الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عُثْمَانَ النَّهْدِيُّ عَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ لِلَّهِ مِائَةَ رَحْمَةٍ فَمِنْهَا رَحْمَةٌ بِهَا يَتَرَاحَمُ الْخَلْقُ بَيْنَهُمْ وَتِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ لِيَوْمِ الْقِيَامَةِ " .
সালমান আল ফারিসী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহর একশত ভাগ রহমত আছে। তার মধ্যে এক ভাগ রহমতের দ্বারাই সৃষ্ট জীব পরস্পর একে অন্যের প্রতি দয়া প্রদর্শন করে। বাকী নিরানব্বই ভাগ রহমত রাখা হয়েছে কেয়ামত দিনের জন্য।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৭২২, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৭৭৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ৬৮৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم আল্লাহর রহমত নিয়ে সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আল্লাহর একশত ভাগ রহমত আছে। তার মধ্যে এক ভাগ রহমতের দ্বারাই সৃষ্ট জীব পরস্পর দয়া দেখায়। মানুষ মানুষের প্রতি নরম হয়, প্রাণী তার ছানার প্রতি স্নেহ করে, দুর্বলকে সাহায্য করার মন তৈরি হয়—এসবই আল্লাহর দেয়া সেই এক ভাগ রহমতের ফল। আর বাকি নিরানব্বই ভাগ রহমত কেয়ামতের দিনের জন্য রাখা হয়েছে। এই বর্ণনা আমাদের মনে আশা জাগায় যে, আল্লাহর দয়া খুব বিস্তৃত। একই সঙ্গে এটি মনে করিয়ে দেয়, দুনিয়ায় দেখা দয়া যত বড় মনে হোক, আল্লাহর কাছে তার চেয়েও অনেক বেশি রহমত রয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সৃষ্টির পারস্পরিক দয়া আল্লাহর রহমত থেকে আসে।
- দুনিয়ার রহমত আল্লাহর পূর্ণ রহমতের সামান্য অংশ।
- কেয়ামতের দিনের জন্য আল্লাহ বিশেষ রহমত রেখেছেন।
- এই হাদিস বান্দাকে আল্লাহর দয়ার আশা করতে শেখায়।
