৪৬/৪২. অধ্যায়ঃ
প্রতিবেশীর সাথে সদাচরণ ও তাকে সদোপদেশ দেয়া
প্রতিবেশীর মর্যাদা: ওয়ারিস ভাবার মতো উপদেশ
সহিহ মুসলিম : ৬৫৮১
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬৫৮১
حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا زَالَ جِبْرِيلُ يُوصِينِي بِالْجَارِ حَتَّى ظَنَنْتُ أَنَّهُ سَيُوَرِّثُهُ " .
ইবনু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ জিবরীল (আঃ) আমাকে প্রতিবেশী সম্পর্কে এমনভাবে উপদেশ প্রদান করতে থাকেন যাতে আমি ভেবেছিলাম যে, তিনি হয়তো তাকে উত্তরাধিকারী বানিয়ে দিবেন।
ইফা, ৬৪৪৮, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৪৯৯
সহিহ মুসলিম হাদিস ৬৫৮১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবন উমর (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন যে জিবরীল (আ.) তাঁকে প্রতিবেশী সম্পর্কে এমনভাবে উপদেশ দিতে থাকেন, যাতে তিনি ভেবেছিলেন প্রতিবেশীকে হয়তো উত্তরাধিকারী বানিয়ে দেওয়া হবে। এখানে প্রতিবেশীর অধিকার কতটা গুরুত্বের, তা খুব শক্তভাবে বোঝানো হয়েছে। ওয়ারিস হওয়ার ধারণা সাধারণত নিকট সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত; তাই হাদিসের ভাষা প্রতিবেশীর মর্যাদা বুঝতে সাহায্য করে। প্রতিবেশীর সঙ্গে ভালো আচরণ, তার কষ্ট না দেওয়া, প্রয়োজনের সময় খোঁজ নেওয়া—এসব আচরণ এই শিক্ষার সঙ্গে মিলে যায়। হাদিসটি প্রতিবেশীকে দূরের মানুষ নয়, কাছের দায়িত্ব হিসেবে দেখতে শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রতিবেশীর মর্যাদা ইসলামে বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে।
- জিবরীল (আ.)-এর বারবার উপদেশ বিষয়টির ওজন বাড়ায়।
- প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ককে দায়িত্বের চোখে দেখা উচিত।
- কাছের মানুষের প্রতি সদাচরণ ভালো চরিত্রের অংশ।
