৪৬/৩৭. অধ্যায়ঃ
বিড়াল ও যে প্রাণী (মানুষকে) কষ্ট দেয় না, তাদেরকে সাজা দেয়া নিষিদ্ধ
প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা থেকে সতর্ক থাকার শিক্ষা
সহিহ মুসলিম : ৬৫৭০
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬৫৭০
حَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ يَحْيَى بْنِ خَالِدٍ، جَمِيعًا عَنْ مَعْنِ بْنِ عِيسَى، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمَعْنَى حَدِيثِ جُوَيْرِيَةَ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
হারুন ইবন আবদুল্লাহ ও আবদুল্লাহ ইবন জাফর ইবন ইয়াহিয়া ইবন খালিদ (রহঃ) ..... ইবন উমর (রাঃ)-এর সানাদে নবী (ﷺ) থেকে জুওয়াইরিয়া বর্ণিত হাদীসের অর্থের হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৪৩৮, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৪৮৮
সহিহ মুসলিম হাদিস ৬৫৭০-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি আগের বিড়াল সম্পর্কিত হাদিসের একই অর্থ বহন করে। এখানে ইবন উমর (রা.)-এর সূত্রে নবী صلى الله عليه وسلم থেকে সেই শিক্ষাই এসেছে যে, একটি বিড়ালকে আটকে রাখা, তাকে খাবার-পানি না দেওয়া এবং বেঁচে থাকার জন্য বাইরে যেতে না দেওয়া কঠিন অপরাধ। যদিও এই বর্ণনায় বিস্তারিত বাক্য সংক্ষিপ্তভাবে এসেছে, এর মূল শিক্ষা স্পষ্ট। প্রাণী মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকলে তার মৌলিক প্রয়োজনের দায়িত্ব মানুষকে নিতে হবে। এই হাদিস প্রাণীর অধিকার বিষয়ে আমাদের সতর্ক করে। কোনো প্রাণীকে অবহেলা করে কষ্ট দেওয়া, ক্ষুধা-পিপাসায় ফেলে রাখা বা বেঁচে থাকার সুযোগ বন্ধ করা ইসলামের দয়ার শিক্ষার বিপরীত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রাণীকে বন্দি করলে তার প্রয়োজন পূরণ করা দায়িত্ব।
- একই অর্থের একাধিক বর্ণনা বিষয়টির গুরুত্ব বুঝায়।
- অবহেলার কারণে প্রাণীর কষ্টও গুরুতর বিষয়।
- দয়া শুধু মানুষের জন্য নয়, প্রাণীর প্রতিও প্রয়োজন।
