৪৬/৩৩. অধ্যায়ঃ
নির্দোষীকে শাস্তিদাতার প্রতি কঠিন ধমকি
জুলুম বন্ধে কথা বলা: হিশাম (রাঃ)-এর বাস্তব শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ৬৫৫৩
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬৫৫৩
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، وَأَبُو مُعَاوِيَةَ ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، كُلُّهُمْ عَنْ هِشَامٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَزَادَ فِي حَدِيثِ جَرِيرٍ قَالَ وَأَمِيرُهُمْ يَوْمَئِذٍ عُمَيْرُ بْنُ سَعْدٍ عَلَى فِلَسْطِينَ فَدَخَلَ عَلَيْهِ فَحَدَّثَهُ فَأَمَرَ بِهِمْ فَخُلُّوا .
হিশাম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
হিশাম (রাঃ) থেকে এ সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি জারীর বর্ণিত হাদীসে এটুকু বর্ধিত উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বলেছেন, সে যুগে ফিলিস্তীনে তাদের শাসক (গভর্নর) ছিলেন ‘উমায়র ইবন সাদ। তিনি তাঁর নিকট যান এবং তাঁর সঙ্গে কথা-বার্তা বলেন। তিনি তাদের ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দিলে তারপর তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৪২১, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৪৭১
সহীহ মুসলিম হাদিস ৬৫৫৩-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আগের ঘটনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক যোগ হয়েছে। হিশাম (রাঃ) শুধু অন্যায় শাস্তির কথা শুনিয়ে থেমে যাননি; তিনি তখনকার ফিলিস্তীনের শাসক উমায়র ইবন সাদের কাছে যান এবং তার সঙ্গে কথা বলেন। এরপর শাসক তাদের ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন, ফলে তারা মুক্তি পায়। এই অংশটি আমাদের শেখায়, জুলুম দেখা গেলে সম্ভব হলে দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছে বিষয়টি পৌঁছানো দরকার। অন্যায় শাস্তি হাদিস শুধু সতর্কতার কথা নয়, বরং বাস্তব পদক্ষেপের দিকেও ইশারা করে। তবে এখানে যা বলা হয়েছে, তা নির্দিষ্ট ঘটনার মধ্যেই সীমিত: কথা বলা হয়েছে, নির্দেশ এসেছে, মানুষগুলো মুক্ত হয়েছে। এটি ন্যায়বিচারের সুন্দর উদাহরণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুলুম দেখলে দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছে কথা বলা যেতে পারে।
- সঠিক কথা বলার ফলে মানুষ কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে পারে।
- ন্যায়বিচারের জন্য শান্তভাবে উদ্যোগ নেওয়া প্রশংসনীয় কাজ।
