৪৫/৫৩. অধ্যায়ঃ

রসূলুল্লাহ্ এর বাণী: যারা এখন বর্তমানে আছে একশ বছরের মাথায় কোন লোক ভু-পৃষ্ঠে অবশিষ্ট থাকবে না।

একশ বছরের হাদিসে কারা উদ্দেশ্য

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬৩৮০

حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَا مِنْ نَفْسٍ مَنْفُوسَةٍ تَبْلُغُ مِائَةَ سَنَةٍ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ سَالِمٌ تَذَاكَرْنَا ذَلِكَ عِنْدَهُ إِنَّمَا هِيَ كُلُّ نَفْسٍ مَخْلُوقَةٍ يَوْمَئِذٍ ‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন প্রাণ (লোক) একশ বছর পর্যন্ত পৌঁছবে না। তখন সালিম (রাঃ) বললেন, আমরা এ বিষয়টি তাঁর (জাবির) নিকট বর্ণনা করলাম। তিনি বললেন, এ কথা দ্বারা আজ পর্যন্ত যে সকল নবজাতক পয়দা হয়েছে- সকলকে লক্ষ্য করে বলা হয়েছে।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬২৫৫, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৩০৪

সহীহ মুসলিম হাদিস ৬৩৮০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কোনো প্রাণ বা লোক একশ বছর পর্যন্ত পৌঁছবে না। পরে সালিম (রাঃ) বলেন, তাঁরা বিষয়টি জাবির (রাঃ)-এর কাছে আলোচনা করলে তিনি ব্যাখ্যা করেন, এ কথা তখন পর্যন্ত যে সব নবজাতক জন্ম নিয়েছিল, তাদের সবাইকে লক্ষ্য করে বলা হয়েছিল। এই ব্যাখ্যা হাদিসের অর্থ পরিষ্কার করে। এখানে কেয়ামতের নির্দিষ্ট সময় বলা হয়নি; বরং সেই সময় পৃথিবীতে জীবিত ও জন্ম নেওয়া মানুষের প্রজন্মের সীমা বোঝানো হয়েছে। তাই হাদিস বুঝতে সাহাবীদের ব্যাখ্যা, শব্দের উদ্দেশ্য এবং প্রসঙ্গের সীমা মেনে চলা খুব জরুরি।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • হাদিসের উদ্দেশ্য বুঝতে সাহাবীদের ব্যাখ্যা সহায়ক।
  • একশ বছরের কথা তখনকার জন্ম নেওয়া জীবিত মানুষদের নিয়ে।
  • কথাকে প্রসঙ্গ থেকে আলাদা করলে ভুল বুঝ তৈরি হতে পারে।
  • মানুষের আয়ু সীমিত—এই স্মরণ হৃদয়কে নরম করে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন