৪৫/৪৭. অধ্যায়ঃ
গিফার, আসলাম, জুহাইনাহ, আশজা, মুযাইনাহ, তামীম, দাওস ও তাইয়ী গোত্রের ফযিলত
জুহাইনার স্পষ্ট উল্লেখসহ একই বর্ণনা
সহিহ মুসলিম : ৬৩৩৯
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬৩৩৯
حَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنِي سَيِّدُ بَنِي، تَمِيمٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي يَعْقُوبَ الضَّبِّيُّ بِهَذَا الإِسْنَادِ . مِثْلَهُ قَالَ " وَجُهَيْنَةُ " . وَلَمْ يَقُلْ أَحْسِبُ .
বানূ তামীম সম্প্রদায়ের দলপতি মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াকূব যাববিয়্যি এ সূত্র হতে বর্ণিতঃ
অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। তিনি তার বর্ণনায় বলেছেন, ‘এবং জুহাইনাহ’ এবং ‘আমি ধারণা করি’ কথাটি উল্লেখ করেননি।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬২১৬, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬২৬৩
সহিহ মুসলিম হাদিস ৬৩৩৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের ঘটনার একই অর্থ আরেকভাবে বর্ণিত হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, বর্ণনাকারী ‘জুহাইনাহ’ শব্দটি সরাসরি উল্লেখ করেছেন এবং ‘আমি ধারণা করি’ কথাটি বলেননি। অর্থাৎ আগের বর্ণনায় যেখানে সন্দেহের ভাষা ছিল, এখানে সেখানে জুহাইনার নাম পরিষ্কারভাবে এসেছে। এই হাদিসের শিক্ষা মূলত দুই দিক থেকে বোঝা যায়। একদিকে আসলাম, গিফার, মুযায়না ও জুহাইনার মর্যাদা বিষয়টি আগের মতোই আছে। অন্যদিকে হাদিস বর্ণনায় শব্দের পার্থক্য কীভাবে সংরক্ষিত হয়েছে, সেটিও দেখা যায়। ইসলামী জ্ঞান গ্রহণে এমন সতর্কতা জরুরি, কারণ সামান্য শব্দও অর্থ বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্ব রাখতে পারে। তাই হাদিস পড়ার সময় মূল বক্তব্য এবং বর্ণনার পার্থক্য—দুটিই খেয়াল করা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই হাদিসের বর্ণনায় শব্দের সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে।
- জুহাইনার নাম এই বর্ণনায় স্পষ্টভাবে এসেছে।
- সন্দেহের ভাষা ও নিশ্চিত ভাষা আলাদা করে রাখা হয়েছে।
- হাদিস বুঝতে বর্ণনার শব্দ খেয়াল করা দরকার।
