৪৫/৪৭. অধ্যায়ঃ
গিফার, আসলাম, জুহাইনাহ, আশজা, মুযাইনাহ, তামীম, দাওস ও তাইয়ী গোত্রের ফযিলত
হাদিস বর্ণনায় সতর্কতার সুন্দর দিক
সহীহ মুসলিম : ৬৩৩৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬৩৩৪
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . مِثْلَهُ غَيْرَ أَنَّ فِي الْحَدِيثِ قَالَ سَعْدٌ فِي بَعْضِ هَذَا فِيمَا أَعْلَمُ .
সা’দ ইবনু ইবরাহীম (রা) থেকে এ সূত্র হতে বর্ণিতঃ
অবিকল বর্ণিত আছে। তবে সাদ তাঁর বর্ণিত হাদিসে কোন কোন সময় বলেছেন, “আমার জানা মতে”।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬২১১, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬২৫৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ৬৩৩৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের বর্ণনার মতোই কথা এসেছে। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনাগত দিক উল্লেখ করা হয়েছে—সাদ তাঁর বর্ণিত হাদিসে কখনো কখনো বলেছেন, ‘আমার জানা মতে’। এই ছোট বাক্যটি হাদিস বর্ণনার সতর্কতা বোঝায়। বর্ণনাকারী যেখানে নিজের নিশ্চিত ভাষা ও ধারণার ভাষা আলাদা করেছেন, সেখানে আমরাও বুঝি যে ধর্মীয় কথা বলার সময় সাবধান হওয়া দরকার। মূল হাদিসে কুরাইশ, আনসার, মুযায়না, জুহাইনা, আসলম, গিফার ও আশজাআ গোত্রের মিত্রতার কথা এসেছে; আর এই বর্ণনায় সেই অর্থই অবিকল রয়েছে। তাই এখানে কোর টপিক হলো বর্ণনার আমানতদারি এবং গোত্রের মর্যাদা। হাদিসটি আমাদের শেখায়, জানা কথা বলা এবং অনিশ্চিত জায়গায় সতর্ক ভাষা ব্যবহার করা উত্তম।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিস বর্ণনায় সতর্ক ভাষা ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ।
- বর্ণনাকারী নিজের জানা ও ধারণার বিষয় আলাদা করেছেন।
- একই হাদিসের সনদভেদে সামান্য শব্দ পার্থক্য থাকতে পারে।
- ধর্মীয় কথা বলার সময় নিশ্চিত না হলে সতর্ক থাকা দরকার।
