৪৫/১৩. অধ্যায়ঃ
আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত
জিবরাইলের সালাম: অবিকল বর্ণনার শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ৬১৯৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬১৯৭
وَحَدَّثَنَاهُ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ زَكَرِيَّاءَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .
যাকারিয়্যা (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
উপরোক্ত সূত্রে অবিকল হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬০৮৩, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬১২২
সহীহ মুসলিম হাদিস ৬১৯৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের সূত্রে অবিকল হাদিস রিওয়ায়াতের কথা বলা হয়েছে। তাই এখানে নতুন ঘটনা নয়, বরং আগের ঘটনার সংরক্ষিত রূপ দেখা যায়। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم আয়িশা (রাঃ)-কে বলেন, জিবরাইল (আঃ) তাঁকে সালাম দিচ্ছেন। আয়িশা (রাঃ) এর জবাবে সালাম ও আল্লাহর রহমতের দোয়া করেন। এই ছোট ঘটনার ভেতরে ইসলামী সালামের সৌন্দর্য আছে। সালাম শুধু একটি বাক্য নয়; এটি নিরাপত্তা, সম্মান ও দোয়ার ভাষা। একই বর্ণনা বারবার আসায় পাঠক বুঝতে পারেন, হাদিসের মূল বার্তা স্পষ্টভাবে সংরক্ষিত। হাদিসটি আয়িশা (রাঃ)-এর মর্যাদা এবং সালামের জবাবের আদব—দুই দিকেই মনোযোগ দেয়। এতে বোঝা যায়, একই মূল বক্তব্য ভিন্ন সূত্রে এলেও সালাম, জবাব এবং আয়িশা (রাঃ)-এর সম্মানের বিষয়টি একইভাবে অটুট থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাম পৌঁছালে সম্মানজনক জবাব দেওয়া উচিত।
- জিবরাইল (আঃ)-এর সালাম আয়িশা (রাঃ)-এর মর্যাদার একটি দিক।
- হাদিসের একই বর্ণনা মূল শিক্ষাকে পরিষ্কার রাখে।
- সালাম দোয়া ও সৌজন্যের ভাষা হিসেবে এসেছে।
