৪৫/১৩. অধ্যায়ঃ
আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত
জিবরাইলের সালামের একই রিওয়ায়াত
সহিহ মুসলিম : ৬১৯৬
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬১৯৬
حَدَّثَنَاهُ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا الْمُلاَئِيُّ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّاءُ بْنُ أَبِي زَائِدَةَ، قَالَ سَمِعْتُ عَامِرًا، يَقُولُ حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ عَائِشَةَ، حَدَّثَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَهَا . بِمِثْلِ حَدِيثِهِمَا .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তাঁদের হাদিসের অবিকল হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬০৮৩, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬১২১
সহিহ মুসলিম হাদিস ৬১৯৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, পূর্বের হাদিসের মতোই একই বর্ণনা রিওয়ায়াত করা হয়েছে। অর্থাৎ মূল ঘটনা হলো রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم আয়িশা (রাঃ)-কে জানান যে জিবরাইল (আঃ) তাঁকে সালাম দিচ্ছেন, আর আয়িশা (রাঃ) সালামের জবাব দেন। এখানে নতুন বিস্তারিত যোগ হয়নি; কিন্তু একই ঘটনার আরেকটি বর্ণনা পাঠককে মূল বার্তায় মনোযোগী করে। সালাম, সম্মান এবং দোয়ার ভাষা—এই তিনটি বিষয় এই হাদিসের মূল শিক্ষা। আয়িশা (রাঃ)-এর জবাব ছিল সহজ ও পূর্ণ সম্মানের: তাঁর প্রতিও সালাম এবং আল্লাহর রহমত। হাদিসটি আমাদের শেখায়, কারও সালাম পৌঁছালে সুন্দরভাবে উত্তর দিতে হয় এবং সালামের সঙ্গে দোয়ার ভাব রাখা ভালো। এভাবে একই বর্ণনা সালাম আদান-প্রদানের সৌন্দর্যকে আরও সহজভাবে মনে গেঁথে দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই বর্ণনা মূল ঘটনার বার্তাকে আরও দৃঢ়ভাবে সংরক্ষণ করে।
- জিবরাইল (আঃ)-এর সালাম আয়িশা (রাঃ)-এর বিশেষ মর্যাদার পরিচয় দেয়।
- সালামের জবাবে দোয়া ও সম্মান রাখা উচিত।
- হাদিসে সংক্ষিপ্ত রিওয়ায়াতও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বহন করে।
