৪৪/৪০. অধ্যায়ঃ
‘ঈসা (আঃ)এর ফযীলত
নবী صلى الله عليه وسلم ও ঈসা (আঃ)-এর নৈকট্য নিয়ে হাদিস
সহীহ মুসলিম : ৬০২৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬০২৫
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، عُمَرُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَنَا أَوْلَى النَّاسِ بِعِيسَى الأَنْبِيَاءُ أَبْنَاءُ عَلاَّتٍ وَلَيْسَ بَيْنِي وَبَيْنَ عِيسَى نَبِيٌّ " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমি ঈসা (আঃ)-এর সর্বাধিক কাছাকাছি। নবীগণ একে অপরের (বৈমাত্রেয় ভাইয়ের) পিতৃসন্তানের মতো এবং আমার ও ঈসার মধ্যবর্তী সময়ে কোন নবী নেই।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫৯১৯, ইসলামীক সেন্টারঃ ৫৯৫৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ৬০২৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তিনি ঈসা (আঃ)-এর সর্বাধিক কাছাকাছি। এরপর তিনি নবীদের সম্পর্কে বলেন, তাঁরা একে অপরের বৈমাত্রেয় ভাইয়ের মতো। অর্থাৎ তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে মিল আছে, যদিও তাঁদের সময়, জাতি বা কিছু বিষয় আলাদা হতে পারে। হাদিসে আরও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, মুহাম্মাদ صلى الله عليه وسلم ও ঈসা (আঃ)-এর মধ্যবর্তী সময়ে কোনো নবী নেই। এই বর্ণনা নবীদের ধারাবাহিকতা ও মর্যাদা বুঝতে সাহায্য করে। একজন মুসলিমের জন্য সব নবীর প্রতি ঈমান রাখা জরুরি। তবে এই হাদিসের মূল আলোচ্য হলো, ঈসা (আঃ)-এর সঙ্গে রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর বিশেষ নৈকট্য এবং তাঁদের মাঝে কোনো নবী না থাকা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুহাম্মাদ صلى الله عليه وسلم ঈসা (আঃ)-এর সবচেয়ে কাছাকাছি।
- নবীগণ ভাইয়ের মতো সম্পর্কিত—এ কথা হাদিসে এসেছে।
- ঈসা (আঃ) ও মুহাম্মাদ صلى الله عليه وسلم-এর মাঝে কোনো নবী নেই।
- সব নবীর প্রতি সম্মান ও ঈমান রাখা মুসলিমের বিশ্বাসের অংশ।
