৪৪/৩. অধ্যায়ঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মু‘জিযা প্রসঙ্গ
অল্প পানির পেয়ালায় নবীজীর বরকতের ঘটনা
সহিহ মুসলিম : ৫৮৩৮
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৮৩৮
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ بِالزَّوْرَاءِ فَأُتِيَ بِإِنَاءِ مَاءٍ لاَ يَغْمُرُ أَصَابِعَهُ أَوْ قَدْرَ مَا يُوَارِي أَصَابِعَهُ . ثُمَّ ذَكَرَ نَحْوَ حَدِيثِ هِشَامٍ .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ‘যাওরা’য় ছিলেন। সে সময় একটি পানির পেয়ালা নিয়ে আসা হলো, যার পানিতে তাঁর অঙ্গুলিসমূহ ডুবছিল না অথবা ঐ পরিমাণ, যা তাঁর অঙ্গুলিসমূহ ডুবাতে পারে। তারপর (পূর্বোল্লিখিত হাদীসের) বর্ণনাকারী হিশাম (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫৭৪৫, ইসলামীক সেন্টারঃ ৫৭৭৬
সহিহ মুসলিম হাদিস ৫৮৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি পূর্বের যাওরা ঘটনার আরেকটি বর্ণনা। এখানে বলা হয়েছে, নবী (صلى الله عليه وسلم) যাওরায় ছিলেন। তখন একটি পানির পেয়ালা আনা হলো। পানির পরিমাণ এত কম ছিল যে, তাঁর আঙুলসমূহ ডুবছিল না, অথবা শুধু আঙুল ঢাকার মতো ছিল। এরপর বর্ণনাকারী হিশাম (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদিসের মতো ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। তাই এই বর্ণনায় মূল জোর হলো পানির অল্পতা এবং সেই অল্প পানির মধ্যেই আল্লাহর পক্ষ থেকে বরকত প্রকাশ পাওয়া। এতে “পানির বরকত”, “নবীজীর মু‘জিযা” এবং “সাহাবীদের ওজু” বিষয়গুলো বোঝা যায়। অতিরিক্ত কোনো দাবি না করে এটিকে একই ঘটনার সংক্ষিপ্ত সূত্র হিসেবে বুঝতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই ঘটনা ভিন্ন সূত্রে সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত হতে পারে।
- পানির পরিমাণ খুব কম ছিল—এ কথা বর্ণনায় স্পষ্ট এসেছে।
- বরকত আল্লাহর দান; সামান্য জিনিসও যথেষ্ট হতে পারে।
- হাদিস বোঝার সময় পূর্বের বর্ণনার সঙ্গে সম্পর্ক রাখা দরকার।
