৪৪/১. অধ্যায়ঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বংশে ফযীলত এবং নুবূওয়াত প্রাপ্তির আগে (তাঁকে) পাথরের সালাম করা প্রসঙ্গ
আল্লাহর নির্বাচনে নবীজীর বংশগত মর্যাদা
সহীহ মুসলিম : ৫৮৩২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৮৩২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مِهْرَانَ الرَّازِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَهْمٍ، جَمِيعًا عَنِ الْوَلِيدِ، - قَالَ ابْنُ مِهْرَانَ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، - حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ أَبِي عَمَّارٍ، شَدَّادٍ أَنَّهُ سَمِعَ وَاثِلَةَ بْنَ الأَسْقَعِ، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِنَّ اللَّهَ اصْطَفَى كِنَانَةَ مِنْ وَلَدِ إِسْمَاعِيلَ وَاصْطَفَى قُرَيْشًا مِنْ كِنَانَةَ وَاصْطَفَى مِنْ قُرَيْشٍ بَنِي هَاشِمٍ وَاصْطَفَانِي مِنْ بَنِي هَاشِمٍ " .
আবূ ‘আম্মার শাদ্দাদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি ওয়াসিলা ইবন আসকাআ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলতেনঃ মহান আল্লাহ ইসমাঈল (আঃ)-এর সন্তানদের থেকে কিনানা-কে চয়ন করে নিয়েছেন, আর কিনানা (বংশ) হতে কুরাইশ-কে বাছাই করে নিয়েছেন আর কুরাইশ (বংশ) হতে বনু হাশিমকে বাছাই করে নিয়েছেন এবং বনু হাশিম হতে আমাকে বাছাই করে নিয়েছেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫৭৩৯, ইসলামীক সেন্টারঃ ৫৭৭০
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৮৩২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাঁর বংশগত মর্যাদা সম্পর্কে বলেছেন। তিনি জানান, মহান আল্লাহ ইসমাঈল (আঃ)-এর সন্তানদের মধ্য থেকে কিনানা বংশকে চয়ন করেছেন। এরপর কিনানা থেকে কুরাইশকে বেছে নিয়েছেন। আবার কুরাইশ থেকে বনু হাশিমকে বেছে নিয়েছেন। শেষ ধাপে বনু হাশিম থেকে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে বেছে নিয়েছেন। এই হাদিসে বংশগৌরবের অহংকার শেখানো হয়নি; বরং আল্লাহর পক্ষ থেকে নবীজীর নির্বাচিত মর্যাদা জানানো হয়েছে। তাই “নবীজীর মর্যাদা” বিষয়টি বুঝতে হলে এটিকে আল্লাহর চয়ন হিসেবে দেখা উচিত। মানুষ নিজে নিজের মর্যাদা বানায় না; আল্লাহ যাকে চান, তাকে বিশেষ সম্মান দেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর মর্যাদা আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্বাচিত।
- ইসমাঈল (আঃ)-এর বংশ থেকে ধাপে ধাপে শ্রেষ্ঠ নির্বাচন হয়েছে।
- বংশের কথা অহংকারের জন্য নয়, আল্লাহর নেয়ামত বোঝার জন্য।
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর অবস্থান আল্লাহ প্রদত্ত সম্মানের অংশ।
