৪০/৪০. অধ্যায়ঃ
বিড়াল হত্যা করা হারাম
বিড়াল আটকে রাখার বিষয়ে হাদিসের সতর্কতা
সহীহ মুসলিম : ৫৭৪৯
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৭৪৯
وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا خَالِدُ، بْنُ الْحَارِثِ حَدَّثَنَا هِشَامٌ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَفِي حَدِيثِهِمَا " رَبَطَتْهَا " . وَفِي حَدِيثِ أَبِي مُعَاوِيَةَ " حَشَرَاتِ الأَرْضِ " .
হিশাম (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
হিশাম (রহঃ) উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাঁদের উভয়ের বর্ণিত হাদীসে আছে, ‘সে তাকে আটকে রাখল’। (এছাড়াও প্রথম সানাদের) বর্ণনাকারী আবু মু’আবিয়া (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদীসে আছে, জমিনের ‘কীটপতঙ্গ’। অর্থাৎ خَشَاشِ শব্দের স্থানে حَشَرَاتِ অর্থ একই) শব্দ আছে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫৬৬১, ইসলামীক সেন্টারঃ ৫৬৯১
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৭৪৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আগের হাদিসের একই সনাদ ও অর্থের কথা এসেছে। এখানে বিশেষভাবে বলা হয়েছে, সে বিড়ালটিকে ‘আটকে রাখল’। আর আরেক বর্ণনায় জমিনের পোকা-মাকড় বোঝাতে ভিন্ন শব্দ এসেছে, কিন্তু অর্থ একই। তাই মূল শিক্ষা হলো—প্রাণীকে এমনভাবে আটকে রাখা যাবে না, যাতে সে খাবার-পানি না পায় এবং নিজে খাবার খোঁজার সুযোগও না পায়। প্রাণীর প্রতি দয়া হাদিসের একটি বড় শিক্ষা। এই হাদিস আমাদের শেখায়, কোনো প্রাণীকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখলে তার ক্ষুধা, তৃষ্ণা ও বেঁচে থাকার প্রয়োজনের দিকে খেয়াল রাখা দায়িত্ব। শুধু ভালোবাসার নামে প্রাণী রাখা যথেষ্ট নয়; যত্ন না করলে তা অন্যায় হতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রাণী আটকে রাখলে তার খাবার-পানির দায়িত্ব নিতে হয়।
- প্রাণীকে নিজে খাবার খোঁজার সুযোগ বন্ধ করা জুলুম।
- শব্দের পার্থক্য থাকলেও মূল শিক্ষা একই থাকতে পারে।
- পোষা প্রাণীর যত্ন অবহেলা করা হাদিসের আলোকে সতর্কতার বিষয়।
