৩৯/৩. অধ্যায়ঃ
উত্তম নামে মন্দ নামের পরিবর্তন এবং ‘বার্রাহ’ নামকে যাইনাব, জুওয়াইরিয়াহ্ ও অনুরূপ নামে পরিবর্তন করা
বাররাহ নাম কেন জয়নাব করা হলো
সহীহ মুসলিম : ৫৫০০
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৫০০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي مَيْمُونَةَ، سَمِعْتُ أَبَا رَافِعٍ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي، هُرَيْرَةَ ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي مَيْمُونَةَ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ زَيْنَبَ، كَانَ اسْمُهَا بَرَّةَ فَقِيلَ تُزَكِّي نَفْسَهَا . فَسَمَّاهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم زَيْنَبَ . وَلَفْظُ الْحَدِيثِ لِهَؤُلاَءِ دُونَ ابْنِ بَشَّارٍ . وَقَالَ ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ عَنْ شُعْبَةَ .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
জয়নাব (রাঃ) এর আসল নাম ছিল ‘বাররাহ’। তাই বলা হল, তিনি আত্মশুদ্ধি করেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর নামকরণ করলেন ‘জয়নাব’। ইবনু বাশার ছাড়া উপরোল্লিখিত রাবীদের বর্ণিত হাদিসের হুবহু শব্দ বর্ণিত হয়েছে। তবে ইবনু আবী শাইবাহ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ এর স্থলে عَنْ شُعْبَةَ বলেছেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫৪২২, ইসলামীক সেন্টারঃ ৫৪৪৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৫০০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এসেছে, জয়নাব (রাঃ)-এর আগের নাম ছিল ‘বাররাহ’। তখন বলা হলো, তিনি যেন নিজেকে পবিত্র বা আত্মশুদ্ধ বলে দাবি করছেন। এরপর রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তাঁর নাম রাখলেন ‘জয়নাব’। হাদিসটির মূল বিষয় হলো আত্মপ্রশংসা বোঝায় এমন নাম এড়িয়ে চলা। নামের অর্থ ভালো হলেও, যদি তা নিজের পুণ্য বা শুদ্ধতার দাবি মনে করায়, নবী صلى الله عليه وسلم তা পরিবর্তন করেছেন। এখানে শিক্ষা খুব সহজ: মানুষ নিজের পবিত্রতার দাবি করবে না; বরং আল্লাহই মানুষের প্রকৃত অবস্থা জানেন—এ কথা পরের বর্ণনায় আরও স্পষ্ট এসেছে। তাই ইসলামি নামের ক্ষেত্রে বিনয়পূর্ণ অর্থ ও সুন্দর ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নিজেকে পবিত্র বলে বোঝায় এমন নাম এড়ানো উচিত।
- নবী صلى الله عليه وسلم বাররাহ নাম বদলে জয়নাব রাখেন।
- নামকরণে বিনয় ও ভালো অর্থের দিক খেয়াল রাখতে হয়।
