৩৯/২. অধ্যায়ঃ
মন্দ নাম এবং নাফি’ ইত্যাদি শব্দে নাম রাখা মাকরূহ
রাবাহ, ইয়াসার, আফলাহ ও নাফি নামের সতর্কতা
সহিহ মুসলিম : ৫৪৯৩
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৪৯৩
وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الرُّكَيْنِ بْنِ الرَّبِيعِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَمُرَةَ، بْنِ جُنْدَبٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تُسَمِّ غُلاَمَكَ رَبَاحًا وَلاَ يَسَارًا وَلاَ أَفْلَحَ وَلاَ نَافِعًا " .
সামুরাহ্ ইবনু জুনদাব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমার ক্রীতদাসের নাম রাবাহ, ইয়াসার, আফলাহ ও নাফি রেখো না।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫৪১৫, ইসলামীক সেন্টারঃ ৫৪৩৭
সহিহ মুসলিম হাদিস ৫৪৯৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, ক্রীতদাসের নাম রাবাহ, ইয়াসার, আফলাহ ও নাফি রেখো না। বর্ণনাটি খুব সরাসরি এবং সংক্ষিপ্ত। এখানে নামগুলোর তালিকা এসেছে, আর মূল শিক্ষা হলো নামকরণে সতর্ক থাকা। এসব নামের অর্থে ভালো দিক থাকলেও হাদিসে এগুলো ব্যবহারের ব্যাপারে নিষেধ এসেছে। একই বিষয়ের আরেক বর্ণনায় বোঝা যায়, কাউকে ডাকলে সে না থাকলে এমন জবাব আসতে পারে, যা কথার দিক থেকে ভালো শোনায় না। তাই ইসলামি নাম রাখার সময় শুধু অর্থ নয়, কথার ব্যবহার এবং শোনার ধরনও বিবেচনা করা উচিত। তবে হাদিসটি নির্দিষ্টভাবে ক্রীতদাস বা অধীনস্থ ব্যক্তির নামের প্রসঙ্গে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ক্রীতদাসের নামকরণে কিছু নির্দিষ্ট নাম এড়াতে বলা হয়েছে।
- নামের অর্থ ভালো হলেও ব্যবহারগত সমস্যা থাকতে পারে।
- নবী صلى الله عليه وسلم নামের ভাষাগত প্রভাবের দিকেও দৃষ্টি দিয়েছেন।
