৩৮/১২. অধ্যায়ঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক ‘মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ’ খোদিত রূপার আংটি পরিধান এবং তাঁর পরবর্তীতে খলীফাগণ কর্তৃক তা পরিধান
আংটির হাদিসে শব্দ উল্লেখের পার্থক্য
সহীহ মুসলিম : ৫৩৭২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৩৭২
وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ قَالُوا حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنُونَ ابْنَ عُلَيَّةَ - عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذَا وَلَمْ يَذْكُرْ فِي الْحَدِيثِ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ .
আহমদ ইবনু হান্বল, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) আনাস (রাঃ) সুত্র হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) থেকে হাদিসটি বর্ণিত আছে। তবে বর্ণনাকারী হাদিসে ‘মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ’ কথাটি উল্লেখ করেননি।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫৩৩২,ই.সে ৫৩১৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৩৭২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم থেকে আগের আংটির বর্ণনাই এসেছে, তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দগত পার্থক্য আছে। বর্ণনাকারী বলেন, এই হাদিসে ‘মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ’ কথাটি উল্লেখ করা হয়নি। অর্থাৎ মূল বিষয় একই হলেও কোনো কোনো সনদে নির্দিষ্ট শব্দ এসেছে, আবার কোনো সনদে তা বাদ আছে। হাদিস পড়ার সময় এমন পার্থক্যকে খুব সাবধানে দেখা দরকার। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, প্রতিটি হাদিসের শব্দ যেমন আছে তেমনভাবেই ধরে ব্যাখ্যা করতে হয়। “আংটির হাদিস”, “মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ খোদাই”, “সনদের পার্থক্য” — এগুলো এই হাদিসের সঙ্গে সম্পর্কিত সার্চ টার্ম। এখানে নতুন বিধান বের না করে শুধু শব্দের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি বোঝাই প্রধান বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই হাদিসের ভিন্ন বর্ণনায় শব্দের সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে।
- এই সূত্রে ‘মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ’ শব্দটি উল্লেখ নেই।
- হাদিস ব্যাখ্যায় বর্ণনার নির্দিষ্ট শব্দের প্রতি সতর্ক থাকা দরকার।
