৩৮/১২. অধ্যায়ঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক ‘মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ’ খোদিত রূপার আংটি পরিধান এবং তাঁর পরবর্তীতে খলীফাগণ কর্তৃক তা পরিধান
নবী صلى الله عليه وسلم-এর রুপার আংটি ও খোদাইয়ের নিষেধ
সহীহ মুসলিম : ৫৩৭০
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৩৭০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، - وَاللَّفْظُ لأَبِي بَكْرٍ - قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ مُوسَى، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ، عُمَرَ قَالَ اتَّخَذَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم خَاتَمًا مِنْ ذَهَبٍ ثُمَّ أَلْقَاهُ ثُمَّ اتَّخَذَ خَاتَمًا مِنْ وَرِقٍ وَنَقَشَ فِيهِ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ . وَقَالَ " لاَ يَنْقُشْ أَحَدٌ عَلَى نَقْشِ خَاتَمِي هَذَا " . وَكَانَ إِذَا لَبِسَهُ جَعَلَ فَصَّهُ مِمَّا يَلِي بَطْنَ كَفِّهِ وَهُوَ الَّذِي سَقَطَ مِنْ مُعَيْقِيبٍ فِي بِئْرِ أَرِيسٍ .
ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) স্বর্ণের একটি আংটি তৈরি করে কিছুদিন পর তা ফেলে দিলেন। এরপর একটি রুপার আংটি তৈরি করে তাতে ‘মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ’ কথাটি খোদাই করলেন। তিনি বললেন, কেউ যেন আমার এ আংটির খোদাইয়ের অনুরূপ খোদাই না করে। তিনি যখন এটি পরতেন, এর মোহরটি হাতের তালুমুখী করে রাখতেন। সেটাই মু‘আইকিব (রাঃ) থেকে 'আরিস' নামক কূপে পড়ে গিয়েছিল।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫৩০০,ই.সে ৫৩১৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৩৭০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কয়েকটি বিষয় একসঙ্গে এসেছে। প্রথমে নবী صلى الله عليه وسلم স্বর্ণের একটি আংটি তৈরি করেছিলেন, পরে তা ফেলে দেন। এরপর তিনি রুপার আংটি তৈরি করেন এবং তাতে ‘মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ’ খোদাই করেন। তিনি পরিষ্কারভাবে বলেন, কেউ যেন তাঁর এই আংটির খোদাইয়ের অনুরূপ খোদাই না করে। হাদিসে আরও এসেছে, তিনি যখন আংটিটি পরতেন, এর মোহর হাতের তালুর দিকে রাখতেন। পরে সেটিই মু‘আইকিব (রাঃ) থেকে 'আরিস' কূপে পড়ে যায়। এই বর্ণনার মূল কীওয়ার্ড হলো “রুপার আংটি”, “খোদাইয়ের নিষেধ”, “নবী صلى الله عليه وسلم-এর মোহর”। হাদিসটি আংটির ব্যবহার, খোদাই এবং নববী নির্দেশ—এই তিনটি বিষয়কে স্পষ্ট করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم স্বর্ণের আংটি ফেলে দিয়ে রুপার আংটি গ্রহণ করেছিলেন।
- নিজের আংটির খোদাই অন্যদের অনুরূপ করতে তিনি নিষেধ করেছেন।
- আংটির মোহর তিনি হাতের তালুর দিকে রাখতেন বলে বর্ণনায় এসেছে।
