৩৮/২. অধ্যায়ঃ
নারী ও পুরুষের জন্য স্বর্ণ- রৌপ্যের বাসন এবং পুরুষের জন্য স্বর্ণের আংটি ও রেশম জাতীয় বস্ত্র ব্যবহার্য হারাম এবং মহিলাদের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ্; সোনা রূপা ও রেশমের কাপড় অনধিক চার আঙ্গুল পর্যন্ত কারুকার্য খচিত বস্তু পুরুষের জন্য মুবাহ্
রেশমি বস্ত্রের সীমা নিয়ে একই বর্ণনা
সহিহ মুসলিম : ৫৩০৫
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৩০৫
حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ عَبْدُ الْحَمِيدِ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، كِلاَهُمَا عَنْ عَاصِمٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الْحَرِيرِ بِمِثْلِهِ .
আসিম (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
উপরোল্লিখিত সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে রেশমি বস্ত্র সম্পর্কে হুবহু বর্ণনা করেছেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫২৩৮, ইসলামীক সেন্টারঃ ৫২৫১
সহিহ মুসলিম হাদিস ৫৩০৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উপরোল্লিখিত সূত্রে নবী (صلى الله عليه وسلم) থেকে রেশমি বস্ত্র সম্পর্কে আগের মতোই বর্ণনা এসেছে। এখানে আলাদা বিস্তারিত ঘটনা নেই, কিন্তু মূল শিক্ষা আগের হাদিসের ধারাবাহিকতায় বোঝা যায়। রেশমি কাপড় পরার বিষয়ে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নিষেধ আছে, আর সামান্য পরিমাণের একটি সীমার কথাও আগের বর্ণনায় ইশারায় এসেছে। তাই এই হাদিস পাঠককে মনে করিয়ে দেয়, শরীয়তের বিষয়গুলোতে শুধু সাধারণ রুচি বা সামাজিক অভ্যাসের ওপর নির্ভর করা যায় না। নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশই মাপকাঠি। পোশাক যত সুন্দর হোক, যদি তা নিষেধের মধ্যে পড়ে, তবে তা থেকে বাঁচতে হবে। আবার যে ব্যতিক্রম এসেছে, সেটিও সীমার ভেতরে বুঝতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রেশমি বস্ত্র বিষয়ে আগের শিক্ষাই আবার এসেছে।
- নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নিষেধকে পোশাকের পছন্দের ওপর অগ্রাধিকার দিতে হয়।
- ব্যতিক্রম থাকলে তা সীমার ভেতরে বুঝতে হয়।
- একই বিষয় একাধিক সনদে আসা শিক্ষাকে স্মরণে রাখে।
