৩৭/৩৫. অধ্যায়ঃ
খাবারের দোষ-ত্রুটি প্রসঙ্গে
খাবারের দোষ না ধরার নববী আদব
সহীহ মুসলিম : ৫২৭৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫২৭৫
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ زُهَيْرٌ حَدَّثَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ مَا عَابَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم طَعَامًا قَطُّ كَانَ إِذَا اشْتَهَى شَيْئًا أَكَلَهُ وَإِنْ كَرِهَهُ تَرَكَهُ .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন সময় কোন খাদ্যকে মন্দ বলেননি। কোন খাদ্য প্রিয় হলে খেয়েছেন আর পছন্দ না হলে ছেড়ে দিয়েছেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫২০৭, ইসলামীক সেন্টারঃ ৫২১৯[১৪]সকল খাদ্যই আল্লাহর নি’আমাত, কোন খাদ্য একজনের জন্য রুচিসম্মত না হলে ও অপরের জন্য তা পছন্দনীয় হতে পারে। তাই কোন খাদ্য কে মন্দ বলা উচিত নয়, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এটা অপছন্দ করতেন।
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫২৭৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবূ হুরায়রা রাঃ জানাচ্ছেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم কখনো কোনো খাদ্যকে মন্দ বলেননি। কোনো খাবার তাঁর পছন্দ হলে খেতেন, আর পছন্দ না হলে ছেড়ে দিতেন। এখানে খাবারের আদবের খুব সুন্দর শিক্ষা আছে। অনেক সময় মানুষ খাবার সামনে পেলে স্বাদ, রান্না বা মান নিয়ে খারাপ কথা বলে ফেলে। এই হাদিস আমাদের শেখায়, খাবার পছন্দ না হলেও দোষ ধরা জরুরি নয়। চুপচাপ না খাওয়া বা ছেড়ে দেওয়া যায়। এতে খাবার প্রস্তুতকারীর মন কষ্ট পায় না, রিজিকের প্রতি অসম্মানও হয় না। নবীজির এই সহজ আচরণ পরিবার, দাওয়াত, মেহমানদারি—সব জায়গায় সুন্দর ব্যবহার শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- খাবার পছন্দ না হলে দোষ না ধরে চুপ থাকা উত্তম আদব।
- পছন্দ হলে খাওয়া, না হলে ছেড়ে দেওয়া নববী আচরণ।
- খাবার নিয়ে খারাপ মন্তব্য মানুষের মন কষ্ট দিতে পারে।
