৩৭/৭. অধ্যায়ঃ
নেশা সৃষ্টিকারী সকল বস্তুই মদ, আর সর্বপ্রকার মদই হারাম
নেশাগ্রস্ত করে এমন সব পানীয় নিষিদ্ধ
সহীহ মুসলিম : ৫১০৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫১০৬
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ، عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْبِتْعِ فَقَالَ " كُلُّ شَرَابٍ أَسْكَرَ فَهُوَ حَرَامٌ " .
আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বিত’র বিষয়ে প্রশ্ন করা হলো। তিনি বললেন, নেশাগ্রস্ত করে এমন সকল প্রকার পানীয়ই নিষিদ্ধ।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫০৪১, ইসলামীক সেন্টারঃ ৫০৫১
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫১০৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে বিত‘ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। উত্তরে তিনি বলেন, নেশাগ্রস্ত করে এমন সকল প্রকার পানীয়ই নিষিদ্ধ। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর শিক্ষা স্পষ্ট। এখানে কোনো নির্দিষ্ট পাত্রের কথা নেই, বরং পানীয়ের প্রভাবের কথা এসেছে। যদি কোনো পানীয় নেশা সৃষ্টি করে, তাহলে সেটি নিষিদ্ধ। তাই নাবীয, মদ বা অন্য যে কোনো পানীয়ের আলোচনায় এই হাদিস একটি মূল নীতি তুলে ধরে। আগের বর্ণনাগুলোতে পাত্রের কথা বেশি এসেছে, আর এখানে পানীয়ের আসল মানদণ্ড বলা হয়েছে—নেশা। তবে হাদিসের ভাষার বাইরে গিয়ে কোনো নতুন উদাহরণ বা অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়। মূল কথা হলো, নেশাগ্রস্তকারী পানীয় থেকে বিরত থাকা ইসলামী নির্দেশের অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিত‘ সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তরে নবীজি সাধারণ নীতি বলেছেন।
- যে পানীয় নেশাগ্রস্ত করে, তা নিষিদ্ধ বলা হয়েছে।
- পানীয়ের নাম নয়, তার নেশা সৃষ্টি করার বিষয়টি এখানে মূল।
- নেশাজাতীয় পানীয় থেকে বিরত থাকার শিক্ষা পাওয়া যায়।
