৩৭/৬. অধ্যায়ঃ
মুযাফ্ফাত, দুব্বা, হানতাম ও নাকীর [৫] ইত্যাদিতে নাবীয তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা (এবং এ হুকুম রহিত হওয়া আর নেশা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো বৈধ) হওয়ার বর্ণনা
সব ধরনের বাসনে পান করা যাবে, তবে নেশাজাতীয় নয়
সহীহ মুসলিম : ৫১০৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫১০৪
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ مُعَرِّفِ بْنِ وَاصِلٍ، عَنْ مُحَارِبِ، بْنِ دِثَارٍ عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " كُنْتُ نَهَيْتُكُمْ عَنِ الأَشْرِبَةِ فِي ظُرُوفِ الأَدَمِ فَاشْرَبُوا فِي كُلِّ وِعَاءٍ غَيْرَ أَنْ لاَ تَشْرَبُوا مُسْكِرًا " .
বুরাইদাহ্ (রাঃ) তিনি তাঁর পিতা হতে হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমি তোমাদেরকে নিষেধ করেছিলাম চামড়া নির্মিত সব রকম বাসনে (বানানো নাবীয) পান করতে। কিন্তু এখন তোমরা সর্বপ্রকার বাসনেই পান করতে পার। তবে নেশাজাতীয় কোন প্রকার জিনিস বানানো নাবীয পান করো না।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫০৩৯, ইসলামীক সেন্টারঃ ৫০৪৯
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫১০৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেন, তিনি আগে চামড়া নির্মিত পাত্র ছাড়া অন্য পাত্রে বানানো পানীয় পান করতে নিষেধ করেছিলেন। এরপর তিনি বলেন, এখন তোমরা সব ধরনের বাসনেই পান করতে পার। তবে নেশাজাতীয় কোনো পানীয় পান করো না। এই বর্ণনায় অনুমতি ও নিষেধ—দুটোই আছে। পাত্রের ব্যাপারে সহজতা এসেছে, কিন্তু নেশার ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হয়নি। তাই নাবীয বা অন্য পানীয় সম্পর্কে বুঝতে হলে এই হাদিস গুরুত্বপূর্ণ। এখানে মূল কথা হলো, পাত্রের ধরন নিয়ে আগের কড়াকড়ি উঠে গেলেও, নেশাজাতীয় পানীয়ের নিষেধ স্পষ্টভাবে রয়ে গেছে। যারা জানতে চান সব পাত্রে নাবীয বানানো যায় কি না, কিংবা নেশাজাতীয় পানীয়ের হাদিস কী—তাদের জন্য এই বর্ণনা সরাসরি উত্তর দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সব ধরনের বাসনে পান করার অনুমতি এসেছে।
- নেশাজাতীয় পানীয় পান করতে স্পষ্ট নিষেধ করা হয়েছে।
- পাত্রের বিষয়ে সহজতা থাকলেও নেশার বিষয়ে সতর্কতা আছে।
- হালাল পানীয় ও নেশাজাতীয় পানীয়কে আলাদা করে বুঝতে হবে।
