৩৭/৬. অধ্যায়ঃ

মুযাফ্‌ফাত, দুব্বা, হানতাম ও নাকীর [৫] ইত্যাদিতে নাবীয তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা (এবং এ হুকুম রহিত হওয়া আর নেশা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো বৈধ) হওয়ার বর্ণনা

নাকীরসহ নাবীযের পাত্র বিষয়ে সতর্কতা

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫০৯০

وَحَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَمْرٍو الأَشْعَثِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْثَرٌ، عَنِ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ مُحَارِبِ بْنِ، دِثَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بِمِثْلِهِ ‏.‏ قَالَ وَأُرَاهُ قَالَ وَالنَّقِيرِ ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ)-এর সনদ হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) হতে হুবহু রিওয়ায়াত করেছেন। আমার ধারণা তিনি ‘নাকীর’-এর বিষয়েও বলেছেন।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫০২৭, ইসলামীক সেন্টারঃ ৫০৩৭

সহীহ মুসলিম হাদিস ৫০৯০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আগের বর্ণনার মতোই রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) থেকে নিষেধের কথা এসেছে। বর্ণনাকারী বলেন, তাঁর ধারণা, তিনি নাকীরের বিষয়েও বলেছেন। তাই এখানে মূল বিষয় হলো নাবীয তৈরির পাত্র এবং বিশেষভাবে নাকীর পাত্র নিয়ে সতর্কতা। হাদিসের ভাষা খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এতে অতিরিক্ত দাবি যোগ করা ঠিক নয়। শুধু এতটুকু বলা যায়, আগের বর্ণনায় যে হানতাম, দুব্বা ও মুযাফফাত পাত্রের কথা এসেছে, এই সূত্রে তার সঙ্গে নাকীরের কথাও স্মরণ করা হয়েছে। নাকীর সম্পর্কে অন্য বর্ণনায় এসেছে, খেজুর গাছের অংশ খোদাই করে পাত্রের মতো বানানো হতো। তাই নাবীযের পাত্রের বিধান জানতে হলে এই বর্ণনাও প্রাসঙ্গিক। এখানে সতর্কতার ভাষা আমাদের শেখায়, বর্ণনার শব্দ সংরক্ষণে সাহাবি ও রাবিরা সাবধান ছিলেন।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ বা ধারণা থাকলে তা আলাদা করে বলা হয়েছে।
  • নাকীর পাত্রের বিষয়েও সতর্কতা এসেছে বলে বর্ণনাকারী উল্লেখ করেছেন।
  • নাবীযের পাত্র নিয়ে নবীজির নির্দেশকে গুরুত্ব দেওয়া দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন