৩৭/৬. অধ্যায়ঃ
মুযাফ্ফাত, দুব্বা, হানতাম ও নাকীর [৫] ইত্যাদিতে নাবীয তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা (এবং এ হুকুম রহিত হওয়া আর নেশা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো বৈধ) হওয়ার বর্ণনা
নাবীয নিষেধের হুবহু বর্ণনা
সহিহ মুসলিম : ৫০৬৮
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫০৬৮
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، - وَهُوَ الْقَطَّانُ - حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، وَشُعْبَةُ، قَالاَ حَدَّثَنَا مَنْصُورٌ، وَسُلَيْمَانُ، وَحَمَّادٌ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর সনদ হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) হতে হুবহু বর্ণনা করা হয়েছে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫০০৫,ইসলামীক সেন্টারঃ ৫০১৫
সহিহ মুসলিম হাদিস ৫০৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, নবী صلى الله عليه وسلم হতে হুবহু বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ এখানে আলাদা নতুন নির্দেশ না দিয়ে আগের একই নিষেধের বর্ণনা আরেক সূত্রে এসেছে। হাদিসের ক্ষেত্রে এমন পুনরাবৃত্তি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে বোঝা যায় একই কথা একাধিক সনদে সংরক্ষিত হয়েছে। নাবীয নিষেধ, দুব্বা মুযাফফাত, এবং পাত্রে নাবীয বানানো—এসব শব্দ এই বিষয়ের মূল সার্চ টার্ম। তবে এই নির্দিষ্ট বর্ণনায় শুধু ‘হুবহু’ কথাটি এসেছে, তাই এখানে অতিরিক্ত পাত্রের তালিকা বা নতুন ব্যাখ্যা যোগ করা ঠিক হবে না। শিক্ষা হলো, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর কথা যেমন এসেছে, তেমনি সতর্কতার সঙ্গে বর্ণনা করা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই হাদিস ভিন্ন সূত্রে হুবহু বর্ণিত হতে পারে।
- হাদিস বর্ণনায় শব্দের মিল সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
- নাবীয সম্পর্কিত নিষেধকে সাহাবারা গুরুত্ব দিয়ে বর্ণনা করেছেন।
- যেখানে হাদিস সংক্ষিপ্ত, সেখানে ব্যাখ্যাও সীমিত রাখা ভালো।
