২/১৭. অধ্যায়ঃ

ইস্তিঞ্জার বিবরণ

শৌচকাজে কেবলার দিকে মুখ বা পিঠ না করা

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪৯৮

وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ خِرَاشٍ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ زُرَيْعٍ - حَدَّثَنَا رَوْحٌ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنِ الْقَعْقَاعِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا جَلَسَ أَحَدُكُمْ عَلَى حَاجَتِهِ فَلاَ يَسْتَقْبِلِ الْقِبْلَةَ وَلاَ يَسْتَدْبِرْهَا ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, তোমাদের কেউ প্রস্রাব-পায়খানা করতে বসলে কখনো যেন সে কেবলার দিকে মুখ করে অথবা সেদিকে পিছন দিয়েও না বসে।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৫০১, ইসলামীক সেন্টারঃ ৫১৭

সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৯৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন প্রয়োজন সারতে বসে, তখন সে যেন কেবলার দিকে মুখ করে না বসে এবং কেবলার দিকে পিঠ দিয়েও না বসে। এখানে প্রস্রাব-পায়খানার সময় কেবলার সম্মান রক্ষার শিক্ষা এসেছে। হাদিসটি ছোট হলেও এর বার্তা পরিষ্কার। কেবলা মুসলিমদের নামাজের দিক, তাই শৌচকাজের সময় সেই দিকের আদব রাখা জরুরি। এই বর্ণনায় পূর্ব-পশ্চিমের কথা নেই; শুধু মূল নিষেধটি এসেছে—কেবলার দিকে মুখ বা পিঠ না করা। তাই ব্যাখ্যায়ও সেই কেন্দ্রীয় শিক্ষাই রাখা উচিত। পায়খানা-প্রস্রাবের আদব, কেবলার দিক এবং ইস্তিঞ্জার নিয়ম জানতে চাওয়া মানুষের জন্য এই হাদিস একটি সরাসরি নির্দেশনা দেয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • প্রয়োজন সারার সময় কেবলামুখী হয়ে বসা নিষেধ।
  • কেবলার দিকে পিঠ দিয়ে বসাও নিষেধ এসেছে।
  • শৌচকাজেও কেবলার সম্মান রক্ষার শিক্ষা রয়েছে।
  • দৈনন্দিন কাজেও ইসলামী আদব মানার নির্দেশ আছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন