২/১৬. অধ্যায়ঃ
মানবীয় ফিত্রাহ্-এর (স্বভাবের) বিবরণ
ফিতরাতের পরিচ্ছন্নতা: চল্লিশ দিনের সীমা
সহীহ মুসলিম : ৪৮৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪৮৭
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، كِلاَهُمَا عَنْ جَعْفَرٍ، - قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، - عَنْ أَبِي عِمْرَانَ الْجَوْنِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ أَنَسٌ وُقِّتَ لَنَا فِي قَصِّ الشَّارِبِ وَتَقْلِيمِ الأَظْفَارِ وَنَتْفِ الإِبْطِ وَحَلْقِ الْعَانَةِ أَنْ لاَ نَتْرُكَ أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً .
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
গোঁফ ছাঁটা, নখ কাটা এবং বগলের লোম উপড়ে ফেলা এবং নাভীর নিচের লোম ছেঁচে ফেলার জন্য আমাদেরকে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল যে আমরা তা চল্লিশ দিনের অধিক দেরি না করি।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৯০, ইসলামীক সেন্টারঃ ৫০৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৮৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজের সময়সীমা বলা হয়েছে। আনাস ইবনু মালিক (রা.) জানান, গোঁফ ছাঁটা, নখ কাটা, বগলের লোম উপড়ে ফেলা এবং নাভীর নিচের লোম পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে তাদের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। নির্দেশ ছিল, এগুলো চল্লিশ দিনের বেশি ফেলে রাখা যাবে না। এখানে মূল শিক্ষা হলো, ইসলাম শুধু ইবাদতের নিয়ম শেখায় না, বরং শরীরের পরিচ্ছন্নতা ও সুন্দর অভ্যাসও শেখায়। ফিতরাতের কাজগুলো মানুষের স্বাভাবিক পবিত্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, ব্যক্তিগত যত্নকে অবহেলা করা উচিত নয়। নিয়মিত গোঁফ ছাঁটা, নখ কাটা এবং শরীরের অনাকাঙ্ক্ষিত লোম পরিষ্কার রাখা মুসলিম জীবনের পরিচ্ছন্নতার অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গোঁফ, নখ, বগল ও নাভীর নিচের লোম পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দিষ্ট সীমা আছে।
- এসব কাজ চল্লিশ দিনের বেশি দেরি না করার নির্দেশ এসেছে।
- ইসলাম ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতাকে দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ করেছে।
- শরীরের যত্ন নেওয়া ফিতরাতের সুন্দর অভ্যাসের অন্তর্ভুক্ত।
