৩৪/২৬. অধ্যায়ঃ
ঘোড়ার কপালে কিয়ামাত পর্যন্ত কল্যাণ থাকবে
ঘোড়ার ললাটে প্রতিদান ও গনীমতের কল্যাণ
সহীহ মুসলিম : ৪৭৪৩
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪৭৪৩
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّاءُ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ عُرْوَةَ الْبَارِقِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الْخَيْلُ مَعْقُودٌ فِي نَوَاصِيهَا الْخَيْرُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ الأَجْرُ وَالْمَغْنَمُ " .
‘উরাওয়াহ আল বারিকী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: ঘোড়ার ললাটে কেয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ নিহিত আছে। আর তা হল প্রতিদান ও গনীমত।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৯৬, ইসলামীক সেন্টারঃ ৪৬৯৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৭৪৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উরওয়া বারিকী রাঃ থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন—ঘোড়ার ললাটে কেয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ বাঁধা রয়েছে। এরপর সেই কল্যাণকে বলা হয়েছে, প্রতিদান ও গনীমত। এই বর্ণনা আগের সংক্ষিপ্ত হাদিসগুলোর অর্থকে আরও পরিষ্কার করে। শুধু ‘কল্যাণ’ বলা হয়নি; এখানে তার ব্যাখ্যাও এসেছে। তাই ঘোড়ার কল্যাণ বলতে এই হাদিসে সরাসরি যে দুটি বিষয় এসেছে, তা হলো সওয়াব বা প্রতিদান এবং গনীমত। এটি ঘোড়ার গুরুত্বকে বাস্তব কাজের সঙ্গে যুক্ত করে। হাদিসটি ঘোড়ার ফজিলত নিয়ে জনপ্রিয়, তবে ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত কথা যোগ না করে বর্ণনার শব্দেই সীমা রাখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘোড়ার ললাটে কেয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ থাকার কথা এসেছে।
- এই কল্যাণের ব্যাখ্যা হিসেবে প্রতিদান ও গনীমত বলা হয়েছে।
- ঘোড়ার গুরুত্ব শুধু বাহন হিসেবে নয়, কাজে ব্যবহারের দিক থেকেও ছিল।
- সংক্ষিপ্ত হাদিসের ব্যাখ্যা অন্য বর্ণনায় স্পষ্ট হতে পারে।
