৩৪/৬. অধ্যায়ঃ
গনীমাতের মাল আত্মসাৎ করা কঠিন হারাম
গনীমতের মাল আত্মসাৎ কেন ভয়াবহ বিষয়
সহীহ মুসলিম : ৪৬৩০
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪৬৩০
وَحَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ صَخْرٍ الدَّارِمِيُّ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، - يَعْنِي ابْنَ زَيْدٍ - عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ بْنِ عَمْرِو بْنِ جَرِيرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ ذَكَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْغُلُولَ فَعَظَّمَهُ . وَاقْتَصَّ الْحَدِيثَ قَالَ حَمَّادٌ ثُمَّ سَمِعْتُ يَحْيَى بَعْدَ ذَلِكَ يُحَدِّثُهُ فَحَدَّثَنَا بِنَحْوِ مَا حَدَّثَنَا عَنْهُ أَيُّوبُ .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) গনীমাতের মাল আত্মসাৎকরণ এবং এর ভয়াবহতা সম্পর্কে উল্লেখ করেন। এভাবে তিনি পূর্ণ হাদিস বর্ণনা করেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৫৮৪, ইসলামীক সেন্টারঃ ৪৫৮৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৬৩০-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) গনীমতের মাল আত্মসাৎ এবং এর ভয়াবহতা উল্লেখ করেছেন। যদিও এখানে পূর্ণ বক্তব্য সংক্ষেপে এসেছে, তবু আগের অনুরূপ বর্ণনার আলোকে মূল বিষয় পরিষ্কার: গনীমতের মাল বা দায়িত্বে পাওয়া সম্পদ নিজের জন্য লুকিয়ে রাখা হালকা বিষয় নয়। নবীজি (صلى الله عليه وسلم) এ ব্যাপারে গুরুত্ব দিয়েছেন, কারণ এটি শুধু সম্পদ নেওয়া নয়; বরং বিশ্বাস ভঙ্গ করা। গনীমতের মাল আত্মসাৎ কেয়ামতের দিনের হিসাবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, দায়িত্বে থাকলে মানুষের সম্পদ, রাষ্ট্রীয় সম্পদ বা দলীয় সম্পদ নিজের সম্পদ মনে করা যাবে না। আমানত রক্ষা করা ঈমানি চরিত্রের বড় অংশ। তাই এই হাদিস সততা, জবাবদিহি এবং অন্যের হক থেকে দূরে থাকার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গনীমতের মাল আত্মসাৎকে হালকা মনে করা যাবে না।
- দায়িত্বে পাওয়া সম্পদ নিজের মাল নয়।
- আমানত রক্ষা করা জবাবদিহির অংশ।
- সম্পদের বিষয়ে সততা না থাকলে কেয়ামতের হিসাব কঠিন হতে পারে।
