৩২/১. অধ্যায়ঃ
হাজীগনের হারানো বস্তু প্রাপ্তি
হারানো বস্তু শনাক্ত করার নিয়ম ও সতর্কতা
সহীহ মুসলিম : ৪৩৯৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪৩৯৭
وَحَدَّثَنِيهِ إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ الْحَنَفِيُّ، حَدَّثَنَا الضَّحَّاكُ بْنُ عُثْمَانَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ فِي الْحَدِيثِ " فَإِنِ اعْتُرِفَتْ فَأَدِّهَا وَإِلاَّ فَاعْرِفْ عِفَاصَهَا وَوِكَاءَهَا وَعَدَدَهَا "
যাহ্হাক ইবন ‘উসমান (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
এ একই সূত্রে বর্ণনা করেন। আর তিনি তাঁর হাদীসে বলেছেন যে, যদি জানা যায়, তবে তাকে তা দিয়ে দেবে। অন্যথায় তুমি তার থলে, তার বন্ধন, তার আবরণ ও (মুদ্রার) সংখ্যা চিনে রাখবে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৩৫৬, ইসলামীক সেন্টারঃ ৪৩৫৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৩৯৭-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় হারানো বস্তু নিয়ে আগের নির্দেশেরই আরেকটি দিক এসেছে। যদি হারানো বস্তু চেনা যায় এবং প্রকৃত মালিক জানা যায়, তবে তা তাকে দিয়ে দিতে হবে। আর যদি তা জানা না যায়, তবে পাওয়া ব্যক্তি তার থলে, বন্ধন, আবরণ এবং সংখ্যা চিনে রাখবে। এই তথ্যগুলো পরে মালিক শনাক্ত করতে কাজে আসে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, হারানো জিনিসের ব্যাপারে শুধু ঘোষণা দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; তার সঠিক পরিচয়ও সংরক্ষণ করতে হয়। এতে মিথ্যা দাবি থেকে সম্পদ রক্ষা হয় এবং প্রকৃত মালিকের অধিকারও বজায় থাকে। লুকাতার বিধানে এই সতর্কতা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রকৃত মালিক জানা গেলে হারানো বস্তু ফেরত দিতে হবে।
- থলে, বন্ধন, আবরণ ও সংখ্যা সংরক্ষণ মালিক শনাক্তের উপায়।
- লুকাতার ক্ষেত্রে অসতর্কতা অন্যের হক নষ্ট করতে পারে।
- দাবি যাচাই ছাড়া সম্পদ তুলে দেওয়া ঠিক নয়।
