৩১/৫. অধ্যায়ঃ
বিনা প্রয়োজনে অধিক প্রশ্ন করা, প্রাপ্য হক না দেয়া এবং অন্যায় কিছু চাওয়া নিষিদ্ধ
হারাম কাজের হাদিসের আরেক সূত্র
সহীহ মুসলিম : ৪৩৭৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪৩৭৬
وَحَدَّثَنِي الْقَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّاءَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ شَيْبَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . مِثْلَهُ . غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ وَحَرَّمَ عَلَيْكُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . وَلَمْ يَقُلْ إِنَّ اللَّهَ حَرَّمَ عَلَيْكُمْ .
মানসূর (রহঃ) হতে উক্ত সূত্র হতে বর্ণিতঃ
অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি “নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর হারাম করেছেন” স্থলে বলেছেন “রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তোমাদের উপর হারাম করেছেন।”
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৩৩৫, ইসলামীক সেন্টারঃ ৪৩৩৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৩৭৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, অনুরূপ বর্ণনা এসেছে; তবে শব্দে একটি ভিন্নতা আছে। আগের বর্ণনায় বলা হয়েছিল, নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর হারাম করেছেন। এখানে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তোমাদের উপর হারাম করেছেন। মূল বিষয় একই ধারার—হারাম কাজ থেকে দূরে থাকা এবং অপছন্দনীয় কাজ এড়িয়ে চলা। যেহেতু এই বর্ণনায় বিস্তারিত তালিকা পুনরায় অনুবাদে নেই, তাই ব্যাখ্যায় সতর্ক থাকা দরকার। তবে একই সূত্রের আলোচনায় মায়ের অবাধ্যতা, কন্যা সন্তান হত্যা, হক আটকে রাখা, অনর্থক কথা, বেশি প্রশ্ন এবং সম্পদ নষ্ট করার শিক্ষা সামনে আসে। এই ধরনের সনদভিত্তিক বর্ণনা পাঠককে বুঝতে সাহায্য করে, হাদিসের বক্তব্য শুধু এক জায়গায় নয়, একাধিক সূত্রে আলোচিত হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই বর্ণনায় শব্দের ভিন্নতা থাকলেও মূল শিক্ষা অটুট থাকতে পারে।
- হারাম ও অপছন্দনীয় কাজের বিষয়ে সতর্কতা রাখা দরকার।
- সনদের ভিন্নতা দেখে মূল বক্তব্য বুঝতে ধৈর্য দরকার।
