৩০/৭. অধ্যায়ঃ
প্রসূতিদের ‘হদ্দ’- এর ব্যাপারে বিলম্ব করা
নিফাস থেকে পবিত্র হওয়া পর্যন্ত হদ্দ বিলম্ব
সহীহ মুসলিম : ৪৩৪৩
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪৩৪৩
وَحَدَّثَنَاهُ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنِ السُّدِّيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَلَمْ يَذْكُرْ مَنْ أَحْصَنَ مِنْهُمْ وَمَنْ لَمْ يُحْصِنْ . وَزَادَ فِي الْحَدِيثِ " اتْرُكْهَا حَتَّى تَمَاثَلَ " .
সুদ্দী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
একই সূত্রে হাদিস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি “তাদের মধ্যকার বিবাহিত এবং অবিবাহিত” এ কথার উল্লেখ করেননি। তাঁর বর্ণিত হাদিসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, “তুমি তাকে ছেড়ে দাও, যতক্ষণ না সে নিফাস থেকে পবিত্র হয়”।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৩০২, ইসলামীক সেন্টারঃ ৪৩০৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৩৪৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি আগের ঘটনার আরেক বর্ণনা। এখানে “বিবাহিত ও অবিবাহিত” কথাটি নেই, তবে একটি বাড়তি অংশ আছে। নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তাকে ছেড়ে দাও, যতক্ষণ না সে নিফাস থেকে পবিত্র বা সুস্থ হয়। এই অংশটি আগের হাদিসের শিক্ষা আরও স্পষ্ট করে। হদ্দের বিধান থাকলেও সদ্য প্রসূতি অবস্থায় তা সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর না করার নির্দেশ এসেছে। কারণ শারীরিক দুর্বলতার কারণে ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। এই হাদিসে হদ্দ বিলম্ব, নিফাস অবস্থা এবং বিচারিক সতর্কতার শিক্ষা আছে। এখানে মূল কথা হলো, শরীয়তের শাস্তি কোনো অসতর্ক বা প্রাণঘাতী পদ্ধতিতে কার্যকর করা নয়; বরং অবস্থা বুঝে সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নিফাস অবস্থায় হদ্দ বিলম্বের নির্দেশ এসেছে।
- শারীরিক সুস্থতা বিবেচনা করার শিক্ষা পাওয়া যায়।
- একই ঘটনার ভিন্ন বর্ণনায় বাড়তি স্পষ্টতা আসতে পারে।
- শাস্তি কার্যকরেও সতর্কতা ও সীমা রক্ষা জরুরি।
