২৮/৫. অধ্যায়ঃ
কসমের মধ্যে ‘ইনশাআল্লাহ’ বলা
নেক উদ্দেশ্যেও ইনশাআল্লাহ বলা দরকার
সহীহ মুসলিম : ৪১৮২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪১৮২
وَحَدَّثَنِيهِ سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ مَيْسَرَةَ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ أَبِي، الزِّنَادِ بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ . غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ " كُلُّهَا تَحْمِلُ غُلاَمًا يُجَاهِدُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ".
আবূ যিনাদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবু যিনাদ (রহঃ) হতে একই সূত্রে উল্লেখিত হাদিসের অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি কিছু শাব্দিক পরিবর্তন করে বলেছেন যে, প্রত্যেক স্ত্রী এমন সন্তানদের প্রসব করবে, যারা ভবিষ্যতে আল্লাহর পথে জিহাদ করবে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪১৪৪, ইসলামীক সেন্টারঃ ৪১৪৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪১৮২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের ঘটনার অনুরূপ বর্ণনা এসেছে, তবে শব্দে সামান্য পরিবর্তন আছে। বলা হয়েছে, প্রত্যেক স্ত্রী এমন সন্তান গর্ভে ধারণ করবে, যারা আল্লাহর পথে জিহাদ করবে। মূল শিক্ষা একই—ভবিষ্যৎ নিয়ে দৃঢ় কথা বলার সময় আল্লাহর ইচ্ছা স্মরণ করা দরকার। সুলায়মান (আঃ)-এর উদ্দেশ্য ছিল নেক; তিনি এমন সন্তান চাইছিলেন, যারা আল্লাহর পথে কাজ করবে। কিন্তু ইনশাআল্লাহ না বলার বিষয়টি হাদিসে বিশেষভাবে এসেছে। তাই এই বর্ণনা শেখায়, শুধু উদ্দেশ্য ভালো হলেই যথেষ্ট নয়; আল্লাহর উপর ভরসা এবং তাঁর ইচ্ছা মানার মনোভাবও থাকা দরকার। ইনশাআল্লাহ বলার হাদিস, কসম, নেক পরিকল্পনা এবং আল্লাহর পথে কাজ—এসব বিষয় এখানে যুক্ত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নেক উদ্দেশ্য থাকলেও ইনশাআল্লাহ বলা দরকার।
- ভবিষ্যৎ ফল আল্লাহর ইচ্ছার সাথে যুক্ত।
- শব্দের সামান্য ভিন্নতা থাকলেও মূল শিক্ষা একই থাকতে পারে।
- আল্লাহর পথে কাজের আশা বিনয়ের সাথে করা উচিত।
