২৮/৩. অধ্যায়ঃ

যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে।

কসমের কাফফারা দিয়ে উত্তম কাজ করুন

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪১৬৪

وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي مَالِكٌ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي، صَالِحٍ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ حَلَفَ عَلَى يَمِينٍ فَرَأَى غَيْرَهَا خَيْرًا مِنْهَا فَلْيُكَفِّرْ عَنْ يَمِينِهِ وَلْيَفْعَلْ ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি কোনো বিষয়ে কসম করে, পরে অন্যটি তার চেয়ে উত্তম মনে করে, তবে সে যেন তার কসমের কাফরাহ দেয় এবং ঐ (উত্তম) কাজটি করে।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪১২৬, ইসলামীক সেন্টারঃ ৪০২৫

সহীহ মুসলিম হাদিস ৪১৬৪-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সংক্ষিপ্ত ও পরিষ্কার ভাষায় কসমের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান বলেছেন। কেউ যদি কোনো বিষয়ে কসম করে, তারপর অন্যটি তার চেয়ে ভালো মনে হয়, তবে সে যেন নিজের কসমের কাফফারা দেয় এবং সেই ভালো কাজটি করে। এখানে দুইটি দিক একসঙ্গে আছে। প্রথমত, ভালো কাজ দেখা গেলে শুধু আগের কসম ধরে বসে থাকা ঠিক নয়। দ্বিতীয়ত, কসমকে অবহেলা করাও ঠিক নয়; কাফফারা দিতে হবে। তাই এই হাদিস কসমের কাফফারা, শপথ ভঙ্গের নিয়ম এবং উত্তম সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মূল শিক্ষা হিসেবে কাজ করে। এটি দৈনন্দিন জীবনের অনেক পরিস্থিতিতে ভারসাম্য শেখায়—ভালো কাজ করো, কিন্তু কসমের দায়ও ঠিকভাবে আদায় করো।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কসমের পর ভালো কাজ মনে হলে তা করা যায়।
  • কসম ভাঙলে কাফফারা দেওয়া জরুরি।
  • ভালো কাজের জন্য আগের ভুল সিদ্ধান্তে আটকে থাকা উচিত নয়।
  • শপথের দায় ও উত্তম কাজ—দুইটি বিষয়ই গুরুত্ব রাখে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন