২৮/৩. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে।
পদাতিক সাহাবীদের ঘটনায় কসমের শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ৪১৬২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪১৬২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى التَّيْمِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ، عَنْ أَبِيهِ، حَدَّثَنَا أَبُو السَّلِيلِ، عَنْ زَهْدَمٍ، يُحَدِّثُهُ عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ كُنَّا مُشَاةً فَأَتَيْنَا نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَسْتَحْمِلُهُ . بِنَحْوِ حَدِيثِ جَرِيرٍ .
আবূ মূসা (রাযিঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা পদাতিক ছিলাম। তাই আমরা নবী (ﷺ)-এর নিকটে সওয়ারি চাইতে আসলাম। এরপর জারীরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪১২৪, ইসলামীক সেন্টারঃ ৪০২৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪১৬২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবু মূসা (রাঃ) বলেন, তাঁরা পদাতিক ছিলেন। তাই তাঁরা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে সওয়ারি চাইতে গেলেন। এরপর জারীরের হাদিসের অনুরূপ ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। অর্থাৎ নবীজি প্রথমে দেওয়ার মতো কিছু না থাকায় কসম করে সওয়ারি না দেওয়ার কথা বলেন। পরে সওয়ারির ব্যবস্থা হলে তিনি তা দেন এবং কসমের পর উত্তম কাজের শিক্ষা দেন। এই হাদিসে নতুন দীর্ঘ বিবরণ নেই, কিন্তু মূল শিক্ষা আগের মতোই স্পষ্ট। মানুষের অবস্থা বদলাতে পারে, সুযোগ আসতে পারে, ভালো পথ দেখা দিতে পারে। তখন কসমের দায়কে অবহেলা না করে, কাফফারার নিয়ম মেনে উত্তম কাজ করা ইসলামী শিক্ষার অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রয়োজনের সময় সাহায্য চাওয়া দোষের নয়।
- কসমের পর অবস্থা বদলালে উত্তম কাজের পথ আছে।
- কাফফারা ছাড়া কসমকে হালকা করা উচিত নয়।
- একই ঘটনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও মূল বিধান বুঝাতে পারে।
