২৩/৩০. অধ্যায়ঃ
যুল্ম করে জায়গা-জমি এবং অন্যান্য কিছু জোর পূর্বক দখল করা হারাম
জমি দখল হাদিস: এক বিঘতের ভয়াবহ হিসাব
সহীহ মুসলিম : ৪০২৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪০২৭
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّاءَ بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ أَخَذَ شِبْرًا مِنَ الأَرْضِ ظُلْمًا فَإِنَّهُ يُطَوَّقُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ سَبْعِ أَرَضِينَ " .
সা’ঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি জোরপূর্বক এক বিঘত পরিমাণ জমি দখল করবে, কেয়ামতের দিন তাকে সাত স্তর জমির বেড়ি পরিয়ে দেয়া হবে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৯০, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩৯৮৯
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪০২৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জমি দখল বা অন্যের জমির সামান্য অংশ জোর করে নেওয়ার বিষয়ে খুব স্পষ্ট সতর্কতা এসেছে। নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি জুলুম করে এক বিঘত পরিমাণ জমিও দখল করবে, কেয়ামতের দিন তাকে সাত স্তর জমির বেড়ি পরিয়ে দেওয়া হবে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, জমির অধিকার ছোট মনে করলেও আল্লাহর কাছে তা ছোট নয়। মানুষের জমি, সীমানা বা মালিকানা নিয়ে অন্যায় করা জুলুমের অন্তর্ভুক্ত। তাই জমি নিয়ে বিরোধ হলে শক্তি, প্রভাব বা সুযোগ ব্যবহার করে দখল করা নয়; বরং ন্যায্য হক মানা দরকার। অনুসন্ধানযোগ্য প্রধান কীওয়ার্ড হলো “জমি দখল হাদিস”, আর এর সাথে “অন্যায় জমি দখল”, “সাত স্তর জমিন” এবং “জুলুমের শাস্তি” বিষয়গুলো যুক্ত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অন্যের জমির সামান্য অংশও জোর করে নেওয়া জুলুম।
- জমির সীমানা ও মালিকানা বিষয়ে সতর্ক থাকা দরকার।
- কেয়ামতের হিসাব থেকে বাঁচতে মানুষের হক নষ্ট করা এড়াতে হবে।
- প্রভাব বা শক্তি দিয়ে জমি নেওয়া ন্যায়ের পথ নয়।
