২৩/৯. অধ্যায়ঃ
কুকুরের মূল্য, গণকের গণনা কাজের মজুরী ও ব্যভিচারিণীর ব্যভিচার দ্বারা উপার্জিত অর্থ হারাম এবং বিড়াল বিক্রি করা নিষেধ
নিকৃষ্ট উপার্জন বিষয়ে অনুরূপ বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ৩৯০৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৯০৫
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي، كَثِيرٍ بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .
ইয়াহ্ইয়া ইবনু কাসীর (রহঃ)- এর সূত্রে হতে বর্ণিতঃ
ইয়াহিয়া ইবন আবু কাসীর (রহঃ)-এর সূত্রে এ হাদীস উক্তরূপে বর্ণনা করেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৬৮, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩৮৬৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৯০৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, ইয়াহিয়া ইবন আবু কাসীর (রহঃ)-এর সূত্রে উক্তরূপে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে। অর্থাৎ আগের বর্ণনার মতোই একই মূল শিক্ষা এখানে এসেছে। মূল কথা হলো, কিছু আয়ের পথকে নিকৃষ্ট বলা হয়েছে—কুকুরের মূল্য, ব্যভিচারের আয় এবং শিঙ্গা লাগানোর উপার্জন। এই বর্ণনায় নতুন কোনো আলাদা তালিকা বা নতুন সিদ্ধান্ত নেই; বরং আগের কথার আরেকটি সূত্র এসেছে। তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত কথা না বাড়িয়ে মূল শিক্ষাই গ্রহণ করা উচিত। মুসলিমের জীবনে রিজিকের উৎস খুব গুরুত্বপূর্ণ। উপার্জন যেন নিষিদ্ধ কাজের সঙ্গে যুক্ত না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা দরকার। হাদিসটি হালাল আয়, পবিত্র জীবিকা এবং হারাম উপার্জন থেকে দূরে থাকার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অনুরূপ সূত্র একই হাদিসের শিক্ষাকে স্মরণ করায়।
- আয়ের উৎস যাচাই করা মুসলিমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- নিকৃষ্ট বা নিষিদ্ধ আয়ের পথ থেকে দূরে থাকা দরকার।
- হাদিসে যা বলা হয়েছে, ব্যাখ্যায় তার বাইরে বাড়তি দাবি করা উচিত নয়।
