২৩/৫. অধ্যায়ঃ

বিক্রিত মাল দেউলিয়া ঘোষিত ক্রেতার নিকট পাওয়া গেলে বিক্রেতা তা ফেরত নিতে পারে

দেউলিয়ায় নিজের মাল পেলে পাওনাদারদের চেয়ে অগ্রাধিকার

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৮৮৩

وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، ح وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، أَيْضًا حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنِي أَبِي كِلاَهُمَا، عَنْ قَتَادَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏ مِثْلَهُ وَقَالاَ ‏ "‏ فَهُوَ أَحَقُّ بِهِ مِنَ الْغُرَمَاءِ ‏"‏ ‏.‏

কাতাদাহ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

কাতাদা (রহঃ) হতে উক্ত রূপ বর্ণনা করেন। অবশ্য এ বর্ণনার শেষে বলা হয়েছে, “সে ব্যক্তিই অন্যান্য সকল পাওনাদারদের চেয়ে বেশি হকদার।”

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৪৬, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩৮৪৫

সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৮৮৩-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় আগের অর্থই এসেছে, তবে শেষে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাক্য যোগ হয়েছে—সে ব্যক্তি অন্যান্য সকল পাওনাদারের চেয়ে বেশি হকদার। অর্থাৎ দেউলিয়া ব্যক্তির কাছে নিজের মাল অবিকল পাওয়া গেলে মালিকের দাবি সাধারণ পাওনাদারের দাবির চেয়ে আলাদা গুরুত্ব পায়। এখানে মাল অবিকল থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি মাল চেনা না যায় বা বদলে যায়, তাহলে বিষয়টি ভিন্ন হতে পারে—তবে এই হাদিসে সেই আলোচনা নেই। এই বর্ণনা দেউলিয়া বিধানকে আরও পরিষ্কার করে। পাওনাদারদের অধিকার, নির্দিষ্ট সম্পদের মালিকানা এবং ন্যায্য অগ্রাধিকার—এসব বিষয় এখানে একসঙ্গে আছে। ইসলামী লেনদেনের শিক্ষা হলো, দেউলিয়া অবস্থাতেও কার অধিকার কোথায়, তা সুবিচার দিয়ে ঠিক করতে হবে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নিজের মাল অবিকল পাওয়া গেলে মালিক সাধারণ পাওনাদারের চেয়ে বেশি হকদার।
  • দেউলিয়া অবস্থায়ও নির্দিষ্ট মালিকানার গুরুত্ব থাকে।
  • পাওনাদারদের দাবি ন্যায্য নিয়মে সাজানো দরকার।
  • মাল অবিকল আছে কি না—এটি অধিকার নির্ধারণে মূল শর্ত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন