২২/১৮. অধ্যায়ঃ
খাদ্যের বিনিময়ে জমি ইজারা
এক-তৃতীয়াংশ ও এক-চতুর্থাংশে জমি ইজারা
সহিহ মুসলিম : ৩৮৩৮
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৮৩৮
وَحَدَّثَنَاهُ يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، قَالَ كَتَبَ إِلَىَّ يَعْلَى بْنُ حَكِيمٍ قَالَ سَمِعْتُ سُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ، يُحَدِّثُ عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، قَالَ كُنَّا نُحَاقِلُ بِالأَرْضِ فَنُكْرِيهَا عَلَى الثُّلُثِ وَالرُّبُعِ . ثُمَّ ذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِ ابْنِ عُلَيَّةَ .
রাফি’ ইবনু খাদীজ (রা.) হতে বর্ণিতঃ
আমরা জমির মুহাকালাহ করতাম এবং এক-তৃতীয়াংশ ও এক-চতুর্থাংশের বিনিময়ে ইজারা দিতাম। এরপর ইবন উলাইয়া হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮০২, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩৮০২
সহিহ মুসলিম হাদিস ৩৮৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি হাদিস ৩৮৩৭-এর অনুরূপ। এতে বলা হয়েছে, তাঁরা জমির মুহাকালাহ করতেন এবং এক-তৃতীয়াংশ ও এক-চতুর্থাংশের বিনিময়ে ইজারা দিতেন। পরে একই অর্থের কথা বর্ণিত হয়েছে। এখানে মূল বিষয় হলো, জমি বর্গা বা কৃষি ইজারার এমন পদ্ধতি, যেখানে ফসলের অংশ নির্ধারণ করে চুক্তি করা হতো। বর্ণনায় এটিকে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নিষেধের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। তাই জমি ইজারা বিষয়ে শুধু “চুক্তি হয়েছে” বললেই যথেষ্ট নয়; চুক্তির শর্ত কেমন, কীভাবে ফসল ভাগ হবে, এতে অনিশ্চয়তা বা ক্ষতির সম্ভাবনা আছে কি না—এসব বিষয় বিবেচ্য। হাদিসটি নববী নির্দেশের সামনে লাভের হিসাবকে ছোট করে দেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফসলের অংশভিত্তিক ইজারায় শর্তের ধরন গুরুত্বপূর্ণ।
- একই অর্থের বর্ণনা মূল শিক্ষাকে আরও স্পষ্ট করে।
- জমি বর্গায় লাভ থাকলেও নববী নিষেধকে আগে রাখতে হবে।
