১/৮৬. অধ্যায়ঃ
মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উম্মাহ্র শাফা’আতের জন্য তাঁর বিশেষ দু’আ গোপন (সংরক্ষণ) রেখেছেন
উম্মতের কল্যাণে নবী صلى الله عليه وسلم-এর অবশিষ্ট দোয়া
সহীহ মুসলিম : ৩৮২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৮২
حَدَّثَنِي أَبُو غَسَّانَ الْمِسْمَعِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ حَدَّثَانَا - وَاللَّفْظُ، لأَبِي غَسَّانَ - قَالُوا حَدَّثَنَا مُعَاذٌ، - يَعْنُونَ ابْنَ هِشَامٍ - قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ قَتَادَةَ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لِكُلِّ نَبِيٍّ دَعْوَةٌ دَعَاهَا لأُمَّتِهِ وَإِنِّي اخْتَبَأْتُ دَعْوَتِي شَفَاعَةً لأُمَّتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন : প্রত্যেক নবীর কাছে তাঁর উম্মতের ক্ষেত্রে প্রয়োগের জন্য একটি দোয়ার অনুমতি আছে। প্রত্যেকে আপন উম্মতের কল্যাণের জন্য তা করেছেন। আর আমি আমার দোয়াটি কেয়ামত দিবসে আমার উম্মতের শাফা‘আতের জন্য অবশিষ্ট রেখে দিয়েছি।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯০, ইসলামীক সেন্টারঃ ৪০১
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৮২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেন, প্রত্যেক নবীর কাছে তাঁর উম্মতের জন্য প্রয়োগের একটি দোয়ার অনুমতি আছে। অন্য নবীরা নিজেদের উম্মতের কল্যাণে তা করেছেন। আর নবী صلى الله عليه وسلم তাঁর দোয়াটি কিয়ামতের দিনে উম্মতের শাফা‘আতের জন্য অবশিষ্ট রেখেছেন। এখানে ‘উম্মতের কল্যাণ’ কথাটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। নবী صلى الله عليه وسلم তাঁর উম্মতের ভবিষ্যৎ ও আখিরাতের প্রয়োজনকে সামনে রেখেছেন। হাদিসটি শাফা‘আত নিয়ে আশার কথা বলে, তবে তা আল্লাহর অনুমতির বাইরে নয়। এই বর্ণনায় কোনো নির্দিষ্ট দুনিয়াবি সুবিধার কথা নেই; বরং আখিরাতের দিনে উম্মতের জন্য সুপারিশের কথা এসেছে। তাই যারা নবীজির সংরক্ষিত দোয়া বা শাফা‘আতের হাদিস জানতে চান, তাদের জন্য এটি সরাসরি প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীদের বিশেষ দোয়া তাঁদের উম্মতের কল্যাণের সাথে যুক্ত ছিল।
- নবী صلى الله عليه وسلم তাঁর দোয়া কিয়ামতের শাফা‘আতের জন্য অবশিষ্ট রেখেছেন।
- শাফা‘আত আখিরাতের বড় প্রয়োজনের সাথে সম্পর্কিত।
- এই হাদিস মুমিনকে আশা ও সতর্কতার পথে রাখে।
