১/৮৬. অধ্যায়ঃ
মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উম্মাহ্র শাফা’আতের জন্য তাঁর বিশেষ দু’আ গোপন (সংরক্ষণ) রেখেছেন
কিয়ামতের দিনে উম্মতের জন্য নবী صلى الله عليه وسلم-এর দোয়া
সহিহ মুসলিম : ৩৮১
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৮১
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدٍ، - وَهُوَ ابْنُ زِيَادٍ - قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لِكُلِّ نَبِيٍّ دَعْوَةٌ دَعَا بِهَا فِي أُمَّتِهِ فَاسْتُجِيبَ لَهُ وَإِنِّي أُرِيدُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ أَنْ أُؤَخِّرَ دَعْوَتِي شَفَاعَةً لأُمَّتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন, প্রত্যেক নবীকে তাঁর উম্মতের ব্যাপারে একটি এমন দোয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে যা অবশ্যই কবুল করা হবে। তা তাঁরা নিজের উম্মতের জন্য করে ফেলেছেন। আমি ইনশাআল্লাহ সংকল্প করেছি, আমার দোয়াটি পরে কেয়ামতের দিবসে আমার উম্মতের শাফা’আতের জন্য করব।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৯, ইসলামীক সেন্টারঃ ৪০০
সহিহ মুসলিম হাদিস ৩৮১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেন, প্রত্যেক নবীকে তাঁর উম্মতের বিষয়ে একটি এমন দোয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা কবুল করা হবে। তাঁরা সেই দোয়া নিজেদের উম্মতের জন্য করে ফেলেছেন। কিন্তু নবী صلى الله عليه وسلم ইনশাআল্লাহ তাঁর দোয়াটি পরে কিয়ামতের দিনে উম্মতের শাফা‘আতের জন্য করবেন বলে সংকল্প করেছেন। এই হাদিসের ভাষায় উম্মতের প্রতি বিশেষ মমতা আছে। নবী صلى الله عليه وسلم এমন সময়ের জন্য দোয়া রেখে দিয়েছেন, যখন মানুষ নিজের আমল, হিসাব ও আল্লাহর রহমতের মুখাপেক্ষী হবে। এখানে মূল কীওয়ার্ড হলো শাফা‘আত, উম্মতের দোয়া, কবুল দোয়া এবং কিয়ামত। হাদিস আমাদের আশা দেয়, আবার তাওহীদ, ঈমান ও নবী صلى الله عليه وسلم-এর অনুসরণের দায়িত্বও মনে করায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রত্যেক নবীকে উম্মতের বিষয়ে বিশেষ দোয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
- নবী صلى الله عليه وسلم তাঁর দোয়াটি কিয়ামতের দিনের জন্য রেখেছেন।
- উম্মতের প্রতি নবী صلى الله عليه وسلم-এর মমতা এই হাদিসে পরিষ্কার।
- আখিরাতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া মুমিনের দায়িত্ব।
